পটুয়াখালীর দুমকিতে নামাজের সেজদারত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও টিন প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে ইউএনও কার্যালয়ে নিহতের পরিবারের হাতে সহায়তার চেক ও ঢেউটিন তুলে দেওয়া হয়।
মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের হাতে নগদ ৬ হাজার টাকার চেক এবং ২ বান্ডিল ঢেউটিন অনুদান হিসেবে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন ইউএনও।
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট ভোরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার জামে মসজিদে ফজরের সুন্নত নামাজ আদায়ের সময় দ্বিতীয় রাকাতে সেজদারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন হাফেজ আতাউল্লাহ। দীর্ঘ সময় সেজদা থেকে না ওঠায় সহপাঠী ও মুসল্লিরা কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান রেখে গেছেন। হাফেজ আতাউল্লাহ দুমকি উপজেলার মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র ছেলে এবং প্রায় দেড় বছর ধরে উক্ত মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নম্র আচরণ ও ধার্মিকতার কারণে এলাকায় তিনি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।
সহায়তার চেক প্রদানকালে মরহুমের বাবা মাওলানা আব্দুস সালাম, স্ত্রী এবং তাঁর দুই শিশু সন্তান উপস্থিত ছিলেন।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব