শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
জিডিপিতে ৪.২ ভাগ অবদানের লক্ষ্যমাত্রা
সৌদি চলচ্চিত্র শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করছে
প্রকাশ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৮ পিএম  আপডেট: ০৭.০৮.২০২৬ ৬:০২ পিএম  (ভিজিট : ২৩)
*সাড়ে ৪ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে;
*জিডিপিতে ৪.২ ভাগ অবদানের লক্ষ্যমাত্রা;
*২০৩০ সালের মধ্যে ১০০০ স্ক্রিন করার লক্ষ্যমাত্রা;
*পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘সৌদি ফিল্ম কমিশন’

২০২৪ সালে দেশব্যাপী ৬৩০টিরও বেশি সিনেমা স্ক্রিন চালু হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সৌদি আরবের সম্প্রতি নেওয়া সিদ্ধান্তের কথাই বলা হচ্ছে। দেশটি কট্টরপন্থি খোলস থেকে বের করে ধীরে ধীরে নিজেদের প্রগতিশীলদের কাতারে আনতেই দীর্ঘ মেয়াদী এই পরিকল্পনা নিয়েছে। ‘ফিল্ম কমিশন’-এর নীতিগত ও আর্থিক প্রণোদনা স্থানীয় চলচ্চিত্র নির্মাণকে সহায়তা করছে, যা একটি টেকসই ও স্থানীয়-চালিত শিল্প বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করছে। আর এতে করে একদিকে যেমন সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রার পথে দেশটি অপরদিকে প্রচুর কর্মসংস্থান হচ্ছে; এতে করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও হচ্ছে। যে স্বপ্নের পথেক তারুণ্যকে পক্ষে টানতে পারছেন বর্তমান সৌদি রাজ পরিবারের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য প্রিন্স সালমান। ২০১৮ সালে সিনেমা প্রদর্শনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর থেকে দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের একটি প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করেছে।

এক হিসেবে দেখা গেছে, এই সম্প্রসারণের ফলে সাত হাজারেরও বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বিনোদন খাতের এমন এক বৃহত্তর কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করবে, যা দশকের শেষ নাগাদ প্রায় সাড়ে চার লাখ  কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং এই খাতের মাধ্যমে জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) অবদান ৪.২ শতাংশে উন্নীত করবে।

একটি শিল্প গড়ে তোলা: এখন পর্যন্ত, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো সিনেমার অবকাঠামো, কন্টেন্ট পরিষেবা এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ৩৫০ কোটি সৌদি রিয়ালের (৯৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার) বেশি বিনিয়োগ করেছে।

‘আর্থার ডি. লিটল মিডল ইস্ট’-এর মিডিয়া, বিনোদন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিভাগের গ্লোবাল হেড এবং পার্টনার শহীদ খানের মতে, এই বিনিয়োগ কেবল বড় শহরগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং উন্নয়নশীল অঞ্চলগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে। মি. খান বলেন, “এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো ‘মুভি সিনেমাস’ সৌদি মালিকানাধীন প্রথম সিনেমা ব্র্যান্ড এবং বর্তমান বাজারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান যা দ্রুত সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাজারে নিজেদের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি শত শত সৌদি নাগরিককে কর্মসংস্থান দিয়েছে এবং সিনেমা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মীদের স্থানীয়করণের (workforce localization) প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ করেছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত তিন বছর ধরে বক্স অফিস থেকে বার্ষিক আয় ৯০০ কোটি সৌদি রিয়ালে স্থিতিশীল রয়েছে; এর পাশাপাশি প্রতি বছর খাবার ও পানীয় বিক্রি থেকে ৫০০ কোটি রিয়ালেরও বেশি আয় হচ্ছে। এটি সৌদি আরবের তেল-বহির্ভূত আয়ের উৎস বৈচিত্র্যময় করার ক্ষেত্রে এই খাতের ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করছে। এছাড়া খান স্থানীয় চলচ্চিত্র প্রযোজনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাবের কথাও তুলে ধরেন। ‘ফিল্ম কমিশন’-এর নীতিগত ও আর্থিক প্রণোদনা স্থানীয় চলচ্চিত্র নির্মাণকে সহায়তা করছে, যা একটি টেকসই ও স্থানীয়-চালিত শিল্প বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করছে।

ফ্রাগোমেন (Fragomen)-এর অংশীদার আবীর আল-হোসাইনির মতে, ফিল্ম কমিশন এবং জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির মতো প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা এবং অত্যাধুনিক স্টুডিওর উন্নয়নের ফলে সৃজনশীল, কারিগরি ও সহায়তা-সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অগ্রযাত্রা চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম বিষয়ক শিক্ষার চাহিদাও বাড়িয়ে তুলছে।

আল-হোসাইনি বলেন, “ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, আতিথেয়তা এবং সাংস্কৃতিক পর্যটন খাতও একইভাবে উপকৃত হয়েছে বিশেষ করে বড় বড় চলচ্চিত্র উৎসব এবং ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোকে কেন্দ্র করে। ‘ক্যাশ রিবেট ইনসেনটিভ প্রোগ্রাম’-এর মতো প্রণোদনা ব্যবস্থা, যার আওতায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত অফেরতযোগ্য অনুদান পাওয়া যায়, তা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নির্মাণ কার্যক্রমকে আকৃষ্ট করছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও গতি আনছে।”

তিনি আরও জানান যে, ‘সাউডাইজেশন’ (সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রক্রিয়া) ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছে; এর ফলে সিনেমা-সংক্রান্ত বিক্রয় ও তত্ত্বাবধানের মতো পদগুলোতে শতভাগ সৌদি নাগরিক নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং কারিগরি কাজের ক্ষেত্রে এই হার ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা এই খাতের বিকাশে সৌদি প্রতিভাকে কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করেছে।

আল-হোসাইনি ‘রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এর মতো সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলোর ব্যাপক প্রভাবের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। এই ধরনের উৎসব বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সহায়তা করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যটন এবং বিনোদন, খাদ্য, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল কন্টেন্টের মতো আনুষঙ্গিক খাতগুলোর বিকাশেও ভূমিকা রাখছে।

ভিশন ২০৩০ এবং চলচ্চিত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ: ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, সরকারি প্রণোদনা এবং ক্রমবর্ধমান অবকাঠামোর সমন্বয়কে কাজে লাগিয়ে সৌদি আরব নিজেকে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নির্মাণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলছে।

‘আর্থার ডি. লিটল’ (Arthur D. Little)-এর দৃষ্টিতে, ২০২০ সাল থেকে ‘ফিল্ম আল-উলা’ (Film AlUla)-র মতো উদ্যোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এসব উদ্যোগের ফলে ‘কান্দাহার’ (Kandahar) ও ‘নোরা’ (Norah)-র মতো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রসহ ১২০টিরও বেশি নির্মাণকাজ এই অঞ্চলে আকৃষ্ট হয়েছে।

শহীদ খানের বলেন, “পাশাপাশি, সৌদি আরবের উদীয়মান গণমাধ্যম শিল্পের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে উঠেছে ‘নিওম’ (NEOM)। গত দুই বছরে এই অঞ্চলে বিভিন্ন ফরম্যাট, ধরণ ও পরিসরের ৩৫টিরও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।” 

“এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপল টিভি প্লাস-এর সিরিজ ‘ফাউন্ডেশন’ (Foundation) এবং আন্তর্জাতিক ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘ডেজার্ট ওয়ারিয়র’ (Desert Warrior)-এর মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প; যেখানে সেট ডিজাইন, ক্যাটারিং, নিরাপত্তা ও লজিস্টিকসের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে শত শত সৌদি নাগরিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন — ”  যোগ করেন তিনি।

স্থানীয়ভাবে লগ্নি থেকে ৪০ শতাংশ ফেরত সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই প্রকল্পগুলো স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। একইসঙ্গে, সরকারি নগদ অর্থ ফেরত সুবিধা (ক্যাশ রিবেট) এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বিশ্বমানের একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ ইকোসিস্টেম বা কর্মপরিবেশ তৈরির ভিত্তি স্থাপন করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের যে লক্ষ্য দেশটি নির্ধারণ করেছে, তা পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের জন্যও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

“এই সম্ভাবনার একটি জোরালো উদাহরণ দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ায়; সেখানে ‘মিশন ইম্পসিবল: ২’ চলচ্চিত্রটি পর্যটন শিল্পকে উল্লেখযোগ্যভাবে চাঙ্গা করেছিল যার ফলে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সিনেমার শুটিংয়ের স্থানটিতে পর্যটকদের সংখ্যা প্রায় ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। একইভাবে, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচিতি লাভের বিষয়টি বিশ্বমঞ্চে সৌদি আরবের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চলেছে; এটি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করবে এবং ‘ভিশন ২০৩০’-এর লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে” — শহীদ খান মন্তব্য করেন। 

আল-হুসেইনি ‘ভিশন ২০৩০’ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৌদি আরবের অনন্য সাংস্কৃতিক ও ভবিষ্যৎমুখী দিকগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে আল-উলা (AlUla) এবং নিওম (NEOM)-এর ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “এসব স্থানে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো সৌদি আরবের অনন্য প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরে, যা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের আগ্রহ জাগিয়ে তোলে এবং পর্যটনকে উৎসাহিত করে। পর্যটন খাতের এই প্রবৃদ্ধি আতিথেয়তা, খুচরা ব্যবসা এবং পরিবহন খাতের স্থানীয় ব্যবসাগুলোকে সহায়তা করে।”

ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ‘আর্থার ডি লিটল’-এর প্রতিনিধি খান জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে সৌদি চলচ্চিত্র খাত সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোতে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উৎপাদন খরচের ওপর ৪০ শতাংশ পর্যন্ত রিবেট (অর্থ ফেরত) এবং বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচির মতো উদার প্রণোদনা ব্যবস্থা এই খাতকে সহায়তা করছে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচি স্থানীয় প্রতিভাবানদের পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

তিনি আরও বলেন, “পর্যটন খাতেও বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে। আল-উলা এবং নিওমের মিডিয়া জোনটি পুরোপুরি চালু হলে প্রতি বছর সেখানে বিপুল সংখ্যক সৃজনশীল পেশাজীবী ও পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।”

খান আরবি ভাষার কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু তৈরি, দক্ষ জনবল ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং প্রতিবেশী উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC)ভুক্ত দেশসহ আফ্রিকা ও এশিয়ার বাজারে সৌদি চলচ্চিত্র রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। তবে তিনি দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা বিবেচনায় রাখা এবং ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের প্রসারের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
আল-হোসাইনি জোর দিয়ে বলেন, সৌদি আরবের চলচ্চিত্র শিল্প কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সঠিক পথেই এগিয়ে চলেছে; বিশেষ করে ‘আল-হিসন স্টুডিওস’-এর (AlHisn Studios)-এর মতো অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বড় পরিসরের চলচ্চিত্র নির্মাণের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করছে।

তিনি বলেন, “বিশ্বমানের প্রযোজনা সংস্থাগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব বাড়ছে, যার প্রমাণ মেলে ‘আল-উলা স্টুডিওস’ (AlUla Studios) পরিচালনার জন্য এমবিএস (MBS) গ্রুপের সাম্প্রতিক চুক্তিতে। একই সাথে, স্থানীয় প্রতিভাদের বিকাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও কর্মশালা আয়োজন করা হচ্ছে, যা এই শিল্পের দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।”

তিনি পরিশেষে উল্লেখ করেন যে, দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘সৌদাইজেশন’ বা স্থানীয় কর্মী নিয়োগের শর্ত পূরণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকলেও, আন্তর্জাতিক প্রতিভাদের আগমন স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির মূল্যবান সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

*আরব নিউজ, গাল্ফ নিউজ থেকে অনুবাদ।

আজকালের খবর/আতে










Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft