কুড়িগ্রামে স্বনামধন্য কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের ল্যাব সহকারীসহ ৪ পদে নিয়োগ বাণিজ্যে অপপ্রচার করে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করা,ব্যক্তিস্বার্থে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ও রাজনৈতিক কোন্দলের জেরে কলেজের নব নিযুক্ত সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েলেকে নিয়ে মনগড়া অপপ্রচারকারী মো. আনিছুর রহমানের সঙ্গে আতাতকারি আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও জাতীয় পার্টির সমর্থকদের সৃষ্ট প্রতিহিংসা কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দ্রূত পদক্ষেপ গ্রহন ও তীব্রনিন্দা জানিয়েছেন কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী,অভিভাবকসহ স্থানীয় সুশীল সমাজ।
রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে অপপ্রচারকারীদের প্রতি তীব্র ঘৃনা ও নিন্দা জানিয়েছেন অত্র কলজের নব নিযুক্ত সভাপতি ডা. মো. ইউনুছ আলী ও অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েলসহ বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবী মানুষজন।
স্থানীয়রা প্রতিবেদককে জানান, কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে একদল মরিয়া হয়ে উঠেছে।কলেজে নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্বচ্ছ সুন্দরভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কোনো প্রকার দুর্নীতির আশ্রয় চোখে পড়ে নাই। নিয়োগ পরীক্ষায় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে পরীক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়। এছাড়া পরীক্ষা শুরু থেকে শেষ অব্দি উপজেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার লোকজন ছিল।
রাজনৈতিক দ্বন্দ ও প্রতিহিংসার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার কারো কাম্য নয়। এমন সাজানো মানববন্ধন না করে কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার কিভাবে উন্নয়ন করা যা তা নিয়ে সবার ঐক্য প্রচেষ্টা থাকা উচিত বলে জানান স্থানীয়রা।
কচাকটা ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী জানান,আমি পরিস্কার ভাবে বলতেছি, এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয় নাই। যারা মিথ্যা বানোয়াট নাটক তৈরি করতেছেন তারা তাদের ব্যক্তি স্বার্থে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেছে। প্রতিষ্ঠান কারো ব্যক্তিগত না প্রতিষ্ঠান সবার। শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে সৎ মন মানসিকতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করার আহবান জানান তিনি।
অপপ্রচারকারী মো. আনিছুর রহমান বলেন,কচাকাটা ডিগ্রি কলেজে নব সভাপতি উড়ে এসে জুড়ে বসেছে।গত ১০ মাসে নিয়োগ প্রক্রিয়া করে দুর্নীতির করতেছে। তবে দুর্নীতি করে কোনো প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন নি।
কচাকাটা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, নিয়োগ কাজ প্রতিষ্ঠানিক বিধি আইন মোতাবেক হয়েছে। এখানে কোনরকম অনিয়মের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ নেই। মিথ্যে অপপ্রচার করলে এর দায় সংশ্লিষ্টদের।
আজকালের খবর/বিএস