বরগুনার আমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
৩১ অক্টোবর (শনিবার) সকালে ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের সরকারী কলেজ সংলগ্ন সদর রোডে অবস্থিত বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শিরা আমতলী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে জন্য কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে আশেপাশে থাকা ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডে বাহার লাইব্রেরি ছাড়াও মিলনের গার্মেন্টস, নুরুল আমিনের কসমেটিস এর দোকান ও সুখরঞ্জন শীলের একটি সেলুন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বাহার লাইব্রেরির মালিক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, আমি দোকান খুলে পাশের একটি দোকানে চা পান করতে গিয়ে দেখতে পাই আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন জ্বলছে। কিভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো বুঝতে পারতেছি না। আমার সব শেষ হয়ে গেছে।
কসমেটিস বিক্রেতা নুরুল আমিন বলেন, আগুনের সংবাদ পেয়ে এসে দেখি আমার দোকান ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমাদের প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শি জসিম উদ্দিন বলেন, হঠাৎ করে একটি লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত তা আশেপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন ইনচার্জ মোঃ মাহবুব হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনের সূত্রপাতের বিষয়টি এখনি বলা সম্ভব না।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকানপাট পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদের সরকারী সহায়তা প্রদান করা হবে।
আজকালের খবর/রাশেদুল মিলন