শ্রীনগরে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে ৩০ কেজি মা ইলিশ ও ৫০ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া।
জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ইলিশ ভাগ্যকুলের সরকারি শিশু পরিবার (বালক) ও বালাশুরে এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
জানা গেছে, শ্রীনগরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলমান চারটি অভিযানে নদীতে ইলিশ ধরার অপরাধে এপর্যন্ত মোট বিশজন জেলেকে কারাদন্ড প্রদান ও একজন জেলেকে আর্থিক জরিমানা করা হয়। এছাড়া এ পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও প্রায় চল্লিশ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়।
অপরদিকে চলমান নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনের অভিযান উপেক্ষা করে স্থানীয় জেলে চক্র নদীতে মা ইলিশ ধরতে নামছেন। পদ্মার চর এলাকার দৃশ্য দেখে মনে হবে বাঘড়ার চরে যেন ইলিশের মহোৎসব চলছে। শতশত নারী পুরুষ ভিড় জমাচ্ছেন ইলিশ কিনতে। সচেতন মহল মনে করছেন, পদ্মার চর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি অনেকাংশে কম থাকার সুযোগে অসাধু জেলেরা জাল নিয়ে নদীতে নামছে। ভাগ্যকুল ও বাঘড়া এলাকায় অন্তত চার শতাধিক ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলার নিয়ে জেলেরা বাঘড়ার চরে ও ভাগ্যকুলের নূরু বয়াতির চরে অস্থায়ী আস্তানা গড়ে তুলেছে। চরে বসিয়েছে ইলিশের হাট। অসংখ্য মানুষ চর থেকে ইলিশ কিনে নির্ভয়ে বাড়ি ফিরছেন।
কয়েকজন ক্রেতা জানান, বাঘড়ার চরে ছোট সাইজের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে আটশত-হাজার টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশের কেজি বারশত-ষোলশত টাকা। এককেজি ওজনের বেশি এমন ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে বাইশত-চব্বিশশত টাকা দরে।
জেলেদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে এ বিষয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
আজকালের খবর/বিএস