শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানবতার কাছে হারুক মারণাস্ত্র
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পিএম   (ভিজিট : ২)
আমি কোনো রাজনৈতিক দলের মানুষ নই। কোনো দলের রাজনীতি করি না, দলদারি করে লিখিও না। আমার কলমের কোনো রাজনৈতিক সমর্থন থাকে না। যে কথা ভালো, যে উদ্যোগ মানুষের জন্য কল্যাণকর, যে চিন্তা দেশ ও সমাজকে সামনে এগিয়ে নিতে পারে, সেটি যে-ই বলুন না কেন, আমার ভালো লাগে। আবার ভুল হলে তার সমালোচনাও করা দরকার বলে মনে করি। কারণ ব্যক্তি বা দলের চেয়ে বড় হলো দেশ, আর দেশের চেয়েও বড় হলো মানুষ। সেই জায়গা থেকেই জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বক্তব্য আমার হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তিনি বলেছেন, আমরা এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব চাই, যেখানে মারণাস্ত্র নয়, বরং যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা হয়ে উঠবে পরিবর্তনের হাতিয়ার। কথাটি শুধু একটি রাষ্ট্রনায়কের কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি আজকের পৃথিবীর জন্য একটি গভীর মানবিক বার্তা। 

পৃথিবী আজ যত উন্নত হয়েছে, মানুষ ততই যেন নিজের তৈরি বিপদের সামনে দাঁড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানের অগ্রগতি আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, যোগাযোগকে করেছে দ্রুত, চিকিৎসাকে করেছে আধুনিক, অর্থনীতিকে করেছে আন্তঃনির্ভরশীল। কিন্তু একই বিজ্ঞান যখন মানুষের হাতে মারণাস্ত্র তুলে দেয়, তখন সেই অগ্রগতিই মানবসভ্যতার জন্য ভয় হয়ে দাঁড়ায়। একটি বোতাম চাপলেই হাজার হাজার মানুষের জীবন শেষ হয়ে যেতে পারে। একটি যুদ্ধ শুধু একটি দেশের সীমান্তে থাকে না। তার আগুন ছড়িয়ে পড়ে অর্থনীতিতে, খাদ্যে, জ্বালানিতে, মানুষের জীবনে। যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ক্ষতটি পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। যে মানুষ যুদ্ধ চায় না, যে কৃষক তার জমিতে ফসল ফলাতে চায়, যে শ্রমিক কাজ করে সন্তানকে মানুষ করতে চায়, যে মা তার সন্তানকে নিরাপদে ঘরে ফিরতে দেখতে চায়, যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মূল্য তাকেই দিতে হয়।

তাই ‘মারণাস্ত্র নয়, মানবতা’ কথাটি নিছক সুন্দর একটি বাক্য নয়। এটি সভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন। আমরা কোন পৃথিবী চাই? এমন পৃথিবী, যেখানে শক্তিশালী রাষ্ট্র তার শক্তি দিয়ে দুর্বলকে দমিয়ে রাখবে, নাকি এমন পৃথিবী যেখানে মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার টেবিলে বসে সমাধানের পথ খোঁজা হবে? আমরা কি এমন একটি বিশ্ব চাই যেখানে অস্ত্রের সংখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রের শক্তি মাপা হবে, নাকি এমন একটি বিশ্ব চাই যেখানে মানুষের নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, মর্যাদা ও মানবিক জীবনযাপন দিয়ে উন্নয়নের মান নির্ধারিত হবে?
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের বক্তব্যে এই জায়গাটিই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত। বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা, সম্মান ও মর্যাদা। এ কথার সঙ্গে দ্বিমত করার কারণ খুব কম। কারণ যুদ্ধ কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। যুদ্ধ অনেক সময় একটি সমস্যাকে থামানোর বদলে নতুন দশটি সমস্যার জন্ম দেয়। একটি প্রজন্মের ক্ষত পরবর্তী প্রজন্ম বহন করে। একটি শহর ধ্বংস হয়, একটি পরিবার ভেঙে যায়, একটি শিশুর শৈশব হারিয়ে যায়, একটি দেশের অর্থনীতি বহু বছর পিছিয়ে যায়।

মানবতা আসলে কোথা থেকে শুরু হয়? রাষ্ট্র থেকে নয়, মানুষের ভেতর থেকে। একজন মানুষ যখন অন্য মানুষের কষ্ট বুঝতে শেখে, তখনই মানবতার শুরু। একজন চিকিৎসক যখন অসহায় রোগীর দিকে শুধু একজন রোগী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে তাকান, তখন মানবতা। একজন শিক্ষক যখন দরিদ্র শিক্ষার্থীর অক্ষমতার মধ্যে সম্ভাবনা খুঁজে পান, তখন মানবতা। একজন পুলিশ যখন ক্ষমতার প্রদর্শন না করে আইনের পাশাপাশি মানুষের মর্যাদাকেও গুরুত্ব দেন, তখন মানবতা। একজন ব্যবসায়ী যখন মুনাফার পাশাপাশি ক্রেতা ও কর্মীর অধিকার বিবেচনা করেন, তখন মানবতা। একজন সাংবাদিক যখন সত্যকে বিক্রি না করে মানুষের পক্ষে কলম ধরেন, তখন মানবতা। আর একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন ক্ষমতার চেয়েও মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে বড় করে দেখেন, তখন সেই মানবতা রাষ্ট্রের নীতিতে রূপ নেয়।

দেশ উন্নত হওয়ার কথাটি আমরা প্রায়ই বলি। কিন্তু উন্নত দেশ বলতে আমরা কী বুঝি? বড় বড় সেতু, উড়ালসড়ক, মেট্রোরেল, শিল্পকারখানা, আধুনিক হাসপাতাল, ডিজিটাল সেবা, মাথাপিছু আয় অবশ্যই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কিন্তু এসবের সঙ্গে যদি মানুষের নিরাপত্তা না থাকে, চিকিৎসা পেতে হয়রানি হয়, শিক্ষায় বৈষম্য থাকে, দুর্বল মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়, বৃদ্ধ বাবা-মা অবহেলিত হন, নারী নিরাপদে চলতে না পারেন, শিশুর স্বপ্ন অর্থের অভাবে থেমে যায়, তাহলে উন্নয়নের হিসাবটি কোথাও অসম্পূর্ণ থেকে যায়। উন্নয়নের শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত মানুষ।

সেই অর্থে রাষ্ট্র মেরামতের কথাটিও শুধু প্রশাসনিক সংস্কারের কথা নয়, এটি মানবিক রাষ্ট্র গড়ার প্রশ্ন। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ অর্থাৎ রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন কৌশলের কথা বলেছেন। একটি রাষ্ট্রকে পুনরুদ্ধার, পুনঃস্থাপন ও পুনর্গঠনের যাত্রায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত, এই পরিবর্তনের সুফল শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে কতটা পৌঁছাল। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হলো কি না, তার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক কতটা নিরাপদ হলো, তরুণের কর্মসংস্থান হলো কি না, কৃষক ন্যায্য মূল্য পেলেন কি না, শ্রমিক সম্মান পেলেন কি না, রোগী চিকিৎসা পেলেন কি না, শিক্ষার্থী মানসম্মত শিক্ষা পেল কি না, নারীর পথ নিরাপদ হলো কি না, সেটিও দেখতে হবে।

মানবিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো সেখানে মানুষ নিজেকে একা মনে করবে না। বিপদে পড়লে রাষ্ট্র পাশে থাকবে। অসুস্থ হলে চিকিৎসার সুযোগ থাকবে। অন্যায় হলে বিচার পাওয়ার আশা থাকবে। সন্তানকে শিক্ষিত করার সুযোগ থাকবে। কাজের জন্য মানুষকে অমানবিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হবে না। নাগরিক তার পরিচয়, মত, পেশা বা আর্থিক অবস্থার কারণে রাষ্ট্রীয় সেবায় বৈষম্যের শিকার হবে না। রাষ্ট্রের কাছে মানুষ হবে আগে, পরিচয় পরে।

আজকের পৃথিবীতে এই মানবিকতার সংকট শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, আমাদের প্রতিদিনের জীবনেও দেখা যায়। রাস্তায় একজন আহত মানুষ পড়ে থাকলে আমরা পাশ কাটিয়ে যাই। অসহায় বৃদ্ধ সাহায্য চাইলে বিরক্ত হই। দুর্বল মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়াকে অনেক সময় শক্তির পরিচয় মনে করি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতের অমিল হলেই মানুষকে অপমান করি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থেকে ব্যক্তিগত শত্রুতা তৈরি করি। অথচ মানবতা শুরু হয় ভিন্নমতকে সহ্য করার মধ্য দিয়েই। আমি আপনার সঙ্গে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু তাই বলে আপনাকে মানুষ হিসেবে অসম্মান করার অধিকার আমার নেই।

এই জায়গায় শিক্ষা সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের হাতিয়ার হতে পারে। অস্ত্র একজন মানুষকে ভয় দেখাতে পারে, কিন্তু শিক্ষা একজন মানুষকে বদলে দিতে পারে। অস্ত্র দিয়ে একটি শহর দখল করা যায়, শিক্ষা দিয়ে একটি প্রজন্মকে জয় করা যায়। অস্ত্র দিয়ে শত্রুকে পরাজিত করা যায়, মানবতা দিয়ে শত্রুতার কারণ কমানো যায়। তাই যুদ্ধের বাজেট কমিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গবেষণা ও মানবিক উন্নয়নে বিনিয়োগ করা শুধু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সভ্যতার সিদ্ধান্ত। জাতিসংঘের আলোচনাতেও বিশ্বজুড়ে সামরিক ব্যয়ে উন্নয়ন অর্থ সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ উঠে এসেছে। 

আমাদের নিজেদের দেশেও মানবিকতার জায়গাটি আরও শক্ত করতে হবে। রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু রাজধানীর আলোয় মাপা যাবে না। গ্রামবাংলার একজন কৃষক কতটা ভালো আছেন, একজন রিকশাচালকের সন্তান স্কুলে যাচ্ছে কি না, একজন পোশাকশ্রমিক তার আয় দিয়ে পরিবার চালাতে পারছেন কি না, একজন প্রবাসীর পরিবার নিরাপদে আছে কি না, একজন রোগী হাসপাতালের দরজায় এসে সম্মান পাচ্ছেন কি না, এসবও রাষ্ট্রের উন্নয়নের মাপকাঠি। কারণ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মানুষ।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে ক্ষমতা মানুষের ওপর নয়, মানুষের সেবায় ব্যবহৃত হবে। যেখানে প্রশাসন নাগরিককে ভয় দেখাবে না, বরং নাগরিকের আস্থা অর্জন করবে। যেখানে রাজনীতি মানুষের বিভাজনের কারণ না হয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যম হবে। যেখানে সাংবাদিকতার কলম কারও ব্যক্তিগত স্বার্থের পাহারাদার হবে না। যেখানে ব্যবসা হবে অর্থনীতির চালিকাশক্তি, কিন্তু মানবিকতার বিপরীতে নয়। যেখানে হাসপাতাল হবে শুধু ব্যবসার প্রতিষ্ঠান নয়, মানুষের জীবন রক্ষার আশ্রয়। যেখানে আদালত হবে ন্যায়বিচারের শেষ ভরসা। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু সার্টিফিকেট দেবে না, মানুষ তৈরি করবে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিশ্বকে সমঝোতার পথে নেওয়ার আহ্বান। পৃথিবী এখন এমন এক সময়ে দাঁড়িয়ে আছে যখন প্রযুক্তি, অর্থনীতি, জলবায়ু, যুদ্ধ ও অভিবাসন একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে গেছে। জাতিসংঘের মহাসচিবও ৮১তম অধিবেশনের শুরুতে যুদ্ধ, বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বৈশ্বিক শক্তির বড় পরীক্ষাগুলোর অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তাই মানবতা কোনো দুর্বলতার নাম নয়। মানবতা শক্তি। ক্ষমা দুর্বলতা নয়। সহনশীলতা দুর্বলতা নয়। সংলাপ দুর্বলতা নয়। বরং যে মানুষ বা রাষ্ট্র নিজের শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, প্রয়োজনের সময় সংলাপের টেবিলে বসতে পারে, অন্যের অধিকারকে সম্মান করতে পারে, তার মধ্যেই প্রকৃত শক্তির পরিচয় থাকে। আমাদের মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সব মারণাস্ত্র একদিন পুরোনো হয়ে যাবে। নতুন অস্ত্র আসবে, আরও ভয়ংকর অস্ত্র আসবে, প্রযুক্তি আরও শক্তিশালী হবে। কিন্তু মানুষ যদি মানবিক না হয়, তাহলে কোনো প্রযুক্তিই পৃথিবীকে নিরাপদ করতে পারবে না। আর মানুষ যদি সত্যিই মানবিক হয়, তাহলে অনেক যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই থামিয়ে দেওয়া সম্ভব।

জাতিসংঘের বিশাল মঞ্চে উচ্চারিত একটি বাক্য যদি আমাদের ঘরের দরজায় এসে পৌঁছায়, তাহলে তার মূল্য আছে। ‘মারণাস্ত্র নয়, যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা’ যদি সত্যিই আমাদের রাষ্ট্রচিন্তা, সমাজচিন্তা এবং ব্যক্তিজীবনের অংশ হয়ে ওঠে, তাহলে বাংলাদেশ শুধু অর্থনীতিতে নয়, মানবিকতার দিক থেকেও বড় হতে পারে।

শেষ পর্যন্ত পৃথিবী মানুষের জন্য। রাষ্ট্র মানুষের জন্য। অর্থনীতি মানুষের জন্য। রাজনীতি মানুষের জন্য। প্রযুক্তি মানুষের জন্য। আর মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতা। মারণাস্ত্র দিয়ে হয়তো মানুষকে পরাজিত করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না। ক্ষমতা দিয়ে হয়তো ভয় তৈরি করা যায়, কিন্তু ভালোবাসা তৈরি করা যায় না। ভয় দিয়ে হয়তো কিছুদিন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কিন্তু মানবতা দিয়েই দীর্ঘদিনের শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়।

তাই আমাদের নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন হোক এমন একটি পৃথিবী, যেখানে যুদ্ধের চেয়ে শান্তির ভাষা শক্তিশালী, প্রতিহিংসার চেয়ে ক্ষমা বড়, বিভেদের চেয়ে সহমর্মিতা গভীর এবং অস্ত্রের চেয়ে মানুষের হাত শক্তিশালী। মারণাস্ত্র নয়, মানবতাই হোক বিশ্ব বদলের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

আজকালের খবর/ এমকে









Advertisement
Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft