প্রকৃতিতে এখন শরতের আবহ। গাছের ডালে ডালে ফুটতে শুরু করেছে শিউলি ফুল। ভোরের বাতাসে শিউলির মিষ্টি সুবাস আর শিশিরভেজা ঘাস জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের বার্তা। ধীরে ধীরে কমছে গরমের তীব্রতা, অন্যদিকে অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী স্পর্শ। সামনে হেমন্তকাল। তারপর শীতকাল। গ্রামগঞ্জে শীতের আবহে শীতকাল মনে হয়। এখন ভোরের দিকে বাইরে বের হলে বাতাসে হালকা শীতশীত অনুভূত হচ্ছে। অনেকের ঘুম ভাঙছে মৃদু ঠান্ডা বাতাসে। ঘরের ফ্যানও আগের মতো সারাক্ষণ চালানোর প্রয়োজন হচ্ছে না। ভোরের দিকে অনেকেই ফ্যান বন্ধ করে দিচ্ছেন।
প্রকৃতির এই ছোট ছোট পরিবর্তনই যেনো জানান দিচ্ছে শীত আর খুব বেশি দূরে নয়। শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা, কাশফুলের দোলা আর শিউলির সুবাসে গ্রামবাংলার প্রকৃতি নতুন রূপ ধারণ করেছে। ভোরের শিশির আর হালকা ঠান্ডা বাতাসে মানুষের মনেও তৈরি হচ্ছে শীতের দিনের প্রত্যাশা। বাংলাদেশে শীতকাল অনেকের কাছেই প্রিয়। শীতের সকালে খেজুরের রস, পিঠাপুলি, কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং নির্মল প্রকৃতি মানুষের মনে আলাদা আনন্দ এনে দেয়। তাই গরমের বিদায় ও শীতের আগমনের এই পরিবর্তন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের মনে ইতোমধ্যে আনন্দের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির এই পালাবদলে একদিকে যেমন শরতের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন মানুষ, অন্যদিকে তেমনি শীতের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। শিউলির সুবাস আর ভোরের হালকা শীতল বাতাস যেনো নীরবে বলছে “শীত আসছে, শীত আসছে।
নন্দীগ্রাম পূর্বপাড়ার বাসিন্দা অসিম কুমার রায় বলেন, এখন ভোরের দিকে শীতল বাতাস বইছে। তাই ভোরে ফ্যান বন্ধ করে দিতে হয়। গরম প্রায় সবারই অসহ্য লাগে। এ কারণে আমরা শীতের জন্য অপেক্ষা করি।
আজকালের খবর/বিএস