বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের দূরদর্শী পদক্ষেপে নন্দীগ্রাম ও কাহালু উপজেলার শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। দীর্ঘ বঞ্চনা কাটিয়ে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, সড়ক সংস্কার, ঈদগাহ, মসজিদ ও মন্দির উন্নয়নের একাধিক চলমান প্রকল্পের সুবাদে নতুন রূপ পাচ্ছে এ দুই উপজেলার গ্রামীণ জনপদ।
শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাহালু ও নন্দীগ্রামের ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য প্রতিটির অনুকূলে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এর মধ্যে নন্দীগ্রামের চাকলমা উচ্চ বিদ্যালয়, ভাটরা খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, ধুন্দার হাইস্কুল এন্ড কলেজ এবং কাহালুর আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, উচল বাড়িয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কালাই রাজবাটী দাখিল মাদ্রাসা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২টি উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারে দেড় লাখ টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে কাহালু বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল, বুড়ইল উচ্চ বিদ্যালয়সহ আরও ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বহুতল বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, গ্রামীণ রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ও কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগে এডিপির ১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। পাশাপাশি জিএসআইডি-২ প্রকল্পের আওতায় দুই উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, ঈদগাহ, শ্মশান ও পূজামণ্ডপ উন্নয়নে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয় সংস্কারের অংশ হিসেবে দুই উপজেলার ৪০টি মন্দির ও পূজা মণ্ডপের জন্য মোট ৪০ লাখ টাকা চাহিদার আবেদন জেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগের সুফল মেলার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হবে। নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার জানান, যুগোপযোগী ও মানসম্মত শিক্ষার আবহ তৈরিসহ অবহেলিত এই জনপদের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
আজকালের খবর/কাওছার আল হাবীব