লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রায় দুই মাস পর প্রেমিক হৃদয় হোসেন মিরাজকে বিয়ে করেছেন প্রিয়া আক্তার (১৮) নামের এক তরুণী। গত ৫ নভেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে যৌথ অ্যাফিডেভিট সম্পন্ন করে নতুন জীবন শুরু করার ঘোষণা দেন তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মো. রিপনের ছেলে মো. ইউসুফ আলীর সঙ্গে শরিয়ত মোতাবেক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রামগতি উপজেলার পূর্ব চর কলাকোপা গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে প্রিয়া আক্তার। তবে বিয়ের পর স্বামীর অবহেলা ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে দাম্পত্য জীবনে অসন্তোষের কথা জানান তিনি।
এক পর্যায়ে গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে প্রথম স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন বলে দাবি করেন প্রিয়া।
এরপর একই এলাকার মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হৃদয় হোসেন মিরাজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। দীর্ঘদিনের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্কের পর উভয়ের সম্মতিতে গত ৫ নভেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে যৌথ অ্যাফিডেভিট সম্পন্ন করেন তারা। নবদম্পতি নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এ বিষয়ে প্রিয়া আক্তার বলেন, আমি দুই মাস আগেই ইউসুফকে নোটারির মাধ্যমে তালাক দিয়েছি। এরপর স্বেচ্ছায় ও আইনিভাবেই হৃদয় হোসেন মিরাজকে বিয়ে করেছি।
তবে প্রথম স্বামী ইউসুফ আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রীকে হৃদয় হোসেন মিরাজ জোর করে আমার কাছ থেকে নিয়ে গেছে। তা ছাড়া হৃদয়ের আগের একটি স্ত্রীও রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউসুফ আলীর অভিযোগ অস্বীকার করে হৃদয় হোসেন মিরাজ বলেন, আমি কাউকে জোর করিনি। প্রিয়া স্বেচ্ছায় আমাকে বিয়ে করেছে। তবে তার আগের স্ত্রী থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
আজকালের খবর/বিএস