বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আয়োজনে মঙ্গলবার চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত হলো ‘আমাদের চলচ্চিত্রে সংকট, করণীয় ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার। পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন চলচ্চিত্র অভিনেতা হেলাল খান। আরও ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল, নির্মাতা কাজী হায়াৎ, ছটকু আহমেদ, শাহ আলম কিরণ, হাবিবুল ইসলাম হাবীব, সাইমন তারিক প্রমুখ।
চলচ্চিত্রের সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রযোজনা, পরিবেশনা, প্রদর্শন, সরকারি সহায়তা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রযোজক আরশাদ আদনান লিখিত প্রস্তাবনা পাঠ করে শোনান। এ সময় তিনি প্রস্তাবনার একটি কপি শিগগিরই সকল গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠিয়ে তাদের মতামত নেওয়ার কথা জানান। এছাড়াও প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, শাহরিয়ার নাজিম জয় আলোচনায় অংশ নেন। সাংবাদিকদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম, সৈকত সালাউদ্দিন, নাজমুল রানা এবং আহমেদ তেপান্তর আলোচনায় অংশ নেন।
আহমেদ তেপান্তর এ সময় প্রযোজক সমিতির নির্বাচন না হওয়ার কারণে সবকিছুই কার্যত স্থবির বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সব সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। প্রশ্ন হচ্ছে যারা এখন নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন তাদের কাজের খবর কী? এখন পর্যন্ত সরকারের আট মাস হলেও সরকারপন্থী কোনো প্রযোজক কেন সিনেমা নির্মাণে আসছে না। এ সময় তিনি জাসাস আহ্বায়ক নায়ক হেলাল খানের কাছে জানতে চান তিনি কেন প্রযোজনায় না থেকেও নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মি খান তাৎক্ষণিক সেমিনারে সকলের সামনে জানান ২০ নভেম্বর তিনি একটি সিনেমা করতে যাচ্ছেন।
এরআগে প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরুর এক মন্তব্যের জবাবে সিনিয়র সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম জানান, প্রকৃত সাংবাদিকরা সবসময়ই ইন্ডাস্ট্রির পক্ষে কাজ করেছে। নাম পরিচয়হীন কে বা কারা নেগিটিভিটি ছড়াচ্ছে তার দায় মূল ঘরানার সাংবাদিকরা নেবে না। তাই আমি আহ্বান জানাবো মূল সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করুন।
আজকালের খবর/আতে