গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় দুই বছর বয়সী শিশু সাহারা ইসলাম ছারার মৃত্যুর আড়াই মাস পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) উপজেলার কলশী ফুকরা গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলন করা হয়।
নিহত শিশু সাহারা ইসলাম ছারা ওই গ্রামের সাগর খাকি ও মুক্তা বেগম দম্পতির মেয়ে। তার জন্ম ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১টার দিকে বাড়ির পূর্ব পাশের পানিতে শিশুটিকে চিৎ অবস্থায় ভাসতে দেখেন তার মা মুক্তা বেগম। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করেন।
পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির পেটে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বিষয়টি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলে সন্দেহ হয় স্বজনদের। শিশুটির পিতা সাগর খাকির ধারণা, তার মেয়েকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চেয়ে গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গোপালগঞ্জ আদালতে আবেদন করেন ভুক্তভোগীর পরিবার। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।
কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শিশুর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।"
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজকালের খবর/রাশেদুল মিলন