গাজীপুরের শ্রীপুরে পৃথক দুটি ঘটনায় এক যুবক ও এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে শ্রীপুর পৌরসভার উজিলাব এলাকায় বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড় থেকে সবুজ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সবুজ স্থানীয় বখাটেদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন এবং মোবাইল গেমে আসক্ত ছিলেন। রোববার রাতে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি তিনি। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুকুরপাড়ে গিয়ে তাঁর মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনেরা। তবে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, রোববার রাতে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় সীমা রানী দাস (২৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী উদ্ভব দাস নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমার মরদেহ উদ্ধার এবং উদ্ভব দাসকে আটক করে। অভিযুক্ত উদ্ভব দাস একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় উদ্ধার করা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামীকে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, যুবকের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
আজকালের খবর/রাশেদুল মিলন