দুবাই থেকে তেল আবিরগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে ককপিট দখলের চেষ্টা ও ভারতীয় ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় ইরানের যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অবশ্য এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি বলেন, হামলাকারী ফার্স্ট অফিসারের সঙ্গে ইরান বা অন্য কোনো দেশ কিংবা সংগঠনের যোগাযোগ ছিল কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি।
‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলেও জানান তিনি।
এর আগে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, ফ্লাইদুবাই বিমানের হামলাকারীর সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যোগাযোগের বিষয়ে তাকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না।
জবাবে ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য ইরানের সংশ্লিষ্টতার সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করছে বলেও জানান তিনি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে তদন্ত শেষ হওয়া প্রয়োজন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটে পাইলটকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটিতে ১৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন।
৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড্ডয়নকালে বিমানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। এ সময় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার তাকে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত ফার্স্ট অফিসার তাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন।
গুরুতর আহত হয়েও ১৩ বছরের অভিজ্ঞ পাইলট মাচ্ছার একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে কৌশলে ককপিটের দরজা খুলে দেন তিনি।
এ সময় সামনের সারির যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে হামলাকারীকে কাবু করতে সক্ষম হন। পরে বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। সূত্র: এনডিটিভি
আজকালের খবর/বিএস