রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হরমুজে উত্তাপ: মার্কিন জাহাজে হামলার পর অন্যদেরও সতর্ক করে দিল ইরান
প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম   (ভিজিট : ১)
হরমুজ প্রণালির কাছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র হামলা এবং পাল্টা হামলায় ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। অভিযোগ, মার্কিন জাহাজকে নিশানা করে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তার পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীও ইরানের তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। দুই তরফেই দেওয়া হয়েছে কঠোর হুঁশিয়ারি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হরমুজ দিয়ে যাতায়াতকারী অন্য দেশগুলিকেও সতর্ক করে দিয়েছে ইরান।

পশ্চিম এশিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকার সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তাদের নৌসেনার দু’টি জাহাজকে নিশানা করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তার জবাবে আমেরিকাও তিনটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তার মধ্যে একটি ইরানের তেল রফতানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের উপকূলে আক্রান্ত হয়েছে। 

সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘‘আইআরজিসি-র উদ্দেশে আমাদের বার্তা খুব স্পষ্ট। তোমরা যদি আমাদের দুটো জাহাজে গুলি করো, আমরা আরও বড় হামলা করব, তোমাদের তিনটে নিয়ে উড়িয়ে দেব।’’

যুক্তরাষ্ট্রের হুঁশিয়ার পর চুপ করে নেই ইরান। তাদের দাবি, তিনটি মার্কিন ট্যাঙ্কার এবং আমেরিকার সঙ্গে যুক্ত অন্য তিনটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। 

আইআরজিসি-র নৌবাহিনী বিবৃতিতে বাকি দেশগুলির উদ্দেশে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি সেনার কথায় কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। অনুমোদিত জলপথ দিয়ে চলাচল করুন। কোনও সন্দেহজনক তৎপরতা দেখাবেন না। না-হলে এর পরের হামলা আপনাদের উপর হবে।’

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই হামলা এবং পাল্টা হামলায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই।

হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের বিবাদের কেন্দ্রে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করে এবং সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে। তার পর থেকেই সংঘর্ষ চলছে। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে ধারাবাহিক ভাবে নিশানা করেছে ইরান। হরমুজ প্রণালির মতো আন্তর্জাতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দিয়ে তারা শুল্ক দাবি করেছে। একাধিক বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে হরমুজে। 

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানকে আর্থিক এবং সামরিক দিক থেকে এতটাই দুর্বল করে দেওয়া, যাতে তারা আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না-পারে। সেই সঙ্গে ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবিও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক স্তরে দুই দেশের সংঘর্ষ থামাতে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু গত কয়েক দিনে হরমুজের তীরে ফের উত্তাপ বেড়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

আজকালের খবর/বিএস 







আরও খবর


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft