২০২৭ সালের হজ মৌসুমের আগে হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় বিশ্বজুড়ে ৭৫টিরও বেশি দেশের হজ বিষয়ক দপ্তরগুলোর সাথে ধারাবাহিক প্রস্তুতিমূলক বৈঠক শুরু করেছে।
মন্ত্রণালয় জানান, সমন্বয় ও প্রস্তুতি বৃদ্ধি, হজযাত্রীদের যাত্রা সহজ করা এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক পরিকল্পনা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কর্মকর্তারা আসন্ন মৌসুমের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং হজ বিষয়ক দপ্তরগুলোর পরিচালন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করবেন। তারা হজ কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত মূল নির্দেশনা ও নিয়মকানুন নিয়েও আলোচনা করবেন।
বৈঠকগুলোতে হজ বিষয়ক দপ্তরগুলোর উত্থাপিত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং অনুমোদিত সময়সীমা অনুযায়ী ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে সহায়তা করার জন্য তাদের জিজ্ঞাসার উত্তর দেওয়া হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সেবা প্রদান এবং তাদের যাত্রা সহজ করার জন্য সমস্ত উপলব্ধ সম্পদ একত্রিত করার নেতৃত্বের নির্দেশনার সাথে সঙ্গতি রেখে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এটি হজ বিষয়ক দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় জোরদার করা, প্রস্তুতির স্তর বৃদ্ধি করা এবং সেবার মান উন্নত করার মাধ্যমে সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং হজযাত্রী অভিজ্ঞতা কর্মসূচির উদ্দেশ্যসমূহকেও সমর্থন করে।
এই প্রচেষ্টাগুলোর লক্ষ্য হলো হজযাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক শান্তির সাথে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে সক্ষম করা এবং একই সাথে তাদের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করা।
এদিকে, মক্কার ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সৌদ বিন মিশাল, কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চলতি বছরের কার্যক্রম এবং এর প্রধান পরিচালনগত সাফল্যগুলো পর্যালোচনা করার জন্য জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোং-এর সিইও মাজেন জোহরের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে বিগত উমরাহ ও হজ মৌসুমের ফলাফল, সেইসাথে বিমানবন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলোর হালনাগাদ তথ্য নিয়েও আলোচনা করা হয়।
ডেপুটি গভর্নরের পর্যালোচিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বিমানবন্দরটি বছরের শুরু থেকে জুলাই মাসের শেষ পর্যন্ত ১,৬৯,৯০০টি ফ্লাইটে প্রায় ২.৮৫৫ কোটি যাত্রীকে সেবা প্রদান করেছে।
আজকালের খবর/ এমকে