বুধবার ● ৪ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শাস্তি, উদ্বিগ্ন এইচআরডব্লিউ
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:২৪ পিএম   (ভিজিট : ০)
বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই চাকরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত, বহিষ্কার এবং একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হচ্ছে।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ বলেছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিশ্বাস বা মতাদর্শের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যবস্থা নেওয়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। এ ধরনের পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংগঠন করার অধিকার ক্ষুণ্ন করে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক মতামত ও স্বাধীন চিন্তার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অতীতের সরকারগুলোর দমনমূলক চর্চার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আলোচনা ও বিতর্কের ঐতিহ্য রয়েছে। স্বৈরশাসকেরাই সাধারণত এ ধরনের আলোচনা ও বিতর্ককে ভয় পায়। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গঠিত কোনো সরকারের এমন ভয় পাওয়ার কারণ থাকা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, অতীতের দমন-পীড়নের অধ্যায় পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী পক্ষের অবস্থান বদলালেও যেন দমনমূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এইচআরডব্লিউর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতি, সাময়িক বরখাস্ত, পদাবনতি, পাঠদানে নিষেধাজ্ঞা এবং একাডেমিক দায়িত্ব সীমিত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এসব ব্যবস্থার পেছনে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সহিংস কর্মকাণ্ডে শিক্ষকদের সহযোগিতা, দলীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং ইসলামি পোশাক পরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সদস্য বা সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত শত শত শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে, যার ফলে তারা উচ্চশিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এসব ঘটনার বিষয়ে শাস্তির মুখে পড়া এক ডজনের বেশি শিক্ষকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে এইচআরডব্লিউ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন চিঠিপত্র, টেলিভিশন আলোচনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও পর্যালোচনা করেছে সংস্থাটি। সাক্ষাৎকার ও নথিপত্রে শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার, পরীক্ষার সনদ আটকে রাখা এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, আওয়ামী লীগপন্থী একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের সদস্য হওয়ার অভিযোগে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক সংস্থাটিকে জানান, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান না নেওয়া আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করা হচ্ছে। তাদের ক্লাস নেওয়া এবং গবেষণার কাজ থেকেও বিরত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে সুবিধা দেওয়া এবং ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এইচআরডব্লিউর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কর্তৃপক্ষ ৪৪ জন শিক্ষককে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। আরও ২৫ জনের পাঠদানের দায়িত্ব সীমিত করা হয়। তবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য বিভাগীয় তদন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। পরবর্তী সময়ে একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই শিক্ষকদের মধ্যে ছয়জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই ধরনের অভিযোগে আরও ১৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার তথ্য পেয়েছে এইচআরডব্লিউ। বিশ্ববিদ্যালয়টির ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত অথবা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও ৩৪ জনের পদাবনতি করা হয়েছে কিংবা তাদের দায়িত্বের পরিধি কমানো হয়েছে।

এসব অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি কমিশন গঠন করলেও এর কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী নির্ধারিত শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরিচালিত হয়েছে বলে মনে হয়নি এইচআরডব্লিউর কাছে।

অন্যদিকে, রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্তের পর ১২ জন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ১০ জনকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দাবি, তদন্তের সময় আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষকদের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আরও ৮৫ জন শিক্ষক পদোন্নতি পাননি।

এইচআরডব্লিউর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশের ২০টিরও বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য তুলে ধরেছে সংস্থাটি। ২০২৫ সালের মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১২৬ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে এবং তাদের পরীক্ষার সনদ আটকে রাখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটির দাবি ছিল, এসব শিক্ষার্থী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। এ অভিযোগের পক্ষে ছবি, ভিডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ থাকার কথাও জানানো হয়।

এ ছাড়া পুলিশের কাছে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগপন্থী আরও ২৭৭ জন শিক্ষার্থীর নাম এসেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় এসব শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে আসছেন না। অভিযুক্তদের অনেকেই সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেয়নি বলে জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ।

শাস্তির মুখে পড়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মশিউর রহমান। ২০১৭ সাল থেকে তিনি অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তাকে সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে একটি টেলিভিশন আলোচনায় তিনি ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং আন্দোলনকে ‘অবৈধ, ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন অনুষ্ঠানের ভিডিও পর্যালোচনা করে এমন বক্তব্যের কোনো প্রমাণ পায়নি এইচআরডব্লিউ।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে তিনি ‘গণহত্যায় উসকানি’ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ আনা হয়। তবে ওই বৈঠকটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

মশিউর রহমান এইচআরডব্লিউকে জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সমর্থনে কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি। গণহত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগও তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার সুপারিশ করে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করেছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার অন্যতম কারণ হিসেবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগের একটি মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। ওই মিছিলের পরদিনই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যান। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিশন মিছিলটিকে ‘সন্ত্রাসী’ মিছিল হিসেবে অভিহিত করে।

তবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত মিছিলের ভিডিও পর্যালোচনা করে এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, সেখানে একদল মানুষকে স্লোগান দিতে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। কিন্তু ভিডিওতে কারও সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের দৃশ্য পাওয়া যায়নি।

ওই মিছিলে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক পূর্বা ইসলামকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার শাসনামলে নিপীড়ন, নির্যাতন ও গণহত্যাকে সমর্থনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে এইচআরডব্লিউর পর্যালোচনা করা ভিডিওতে তাকে স্লোগান দিতে দেখা যায়নি।

একই দিনে পশু প্রজনন ও বংশগতিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ইয়াহিয়া খন্দকারকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে শেখ হাসিনার গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ ছিল। তবে ইয়াহিয়া খন্দকার দাবি করেন, আন্দোলনের পুরো সময় তিনি ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।

এদিকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তিনজন শিক্ষকের দণ্ড হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন কারাগারে রয়েছেন। অপর একজনের বিচার এখনো শুরু হয়নি।

সবশেষে মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, আগের সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে সমর্থন করার কারণে কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা প্রমাণ করবে যে বাংলাদেশে মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা যথাযথভাবে সুরক্ষিত নয়।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত এমন একটি মুক্ত পরিসর, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। কোনো সময়ের ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি সমর্থন জানাতে কাউকে বাধ্য করা বা ভিন্নমতের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।

আজকালের খবর/ এমকে







আরও খবর


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft