প্রকাশ: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৭ পিএম (ভিজিট : ০)
চলচ্চিত্র সমালোচক মাহমুদা চৌধুরী। ছবি : ব্যক্তিগত অ্যালবাম থেকে সংগৃহীত
‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন প্রবর্তিত ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার’ ২০২৬ পাচ্ছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সমালোচক ও লেখক মাহমুদা চৌধুরী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন।
আগামী ২৬ অক্টোবর ফজলুল হকের প্রয়াণ দিবসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে এই পুরস্কার হস্তান্তর করা হবে।
মাহমুদা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সমালোচক, জ্যেষ্ঠ বিনোদন সাংবাদিক, লেখক এবং নির্মাতা, যিনি দেশে নারী সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)-এর একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। ১৯৮০-এর দশক থেকে ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত তৎকালীন জনপ্রিয় ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা’ পত্রিকায় তাঁর ধারালো ও বস্তুনিষ্ঠ চলচ্চিত্র সমালোচনা দেশজুড়ে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছিল।
‘বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক নূরজাহান বেগমের পাশে চলচ্চিত্র সমালোচক মাহমুদা চৌধুরী। ছবি : ব্যক্তিগত অ্যালবাম থেকে সংগৃহীত
ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রকাশ করেছে তার গবেষণা গ্রন্থ ‘জহির রায়হানের চলচ্চিত্র : সমাজ ভাবনা’। গ্রন্থটি তিনি যুগ্মভাবে প্রণয়ন করেছেন আয়শা আকতার কণার সঙ্গে। তার প্রথম গ্রন্থ ‘নারী অর্ধেক পৃথিবী’। পরবর্তীতে তার সম্পাদনায় নারীবাদী কবিতা সংকলন ‘কিরণমালা’ প্রকাশিত হয়।
গণমাধ্যম, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল কাজে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তাঁকে কলমিলতা ট্রাস্ট সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্ট ফোরাম সম্মাননা, রোটারী মিডটাউন সম্মাননা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ সম্মাননা অর্জন করেন।
সাংবাদিকতা ও নারী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশও ভ্রমণ করেছেন।
ওস্তাদ রবি শংকরের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন চলচ্চিত্র সমালোচক মাহমুদা চৌধুরী। ছবি: ব্যক্তিগত অ্যালবাম থেকে সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র-বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক ও বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘প্রেসিডেন্ট’-এর নির্মাতা প্রয়াত ফজলুল হক স্মরণে গত ২২ বছর ধরে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।