সোমবার ২২ জুন ২০২৬
বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সাফল্য ও ব্যর্থতা
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩, ৮:০৪ পিএম   (ভিজিট : ১০৬৮৬)
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস ২৯ মে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের সকল দেশের শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদানকে এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ইউক্রেনের শান্তিরক্ষী সংস্থা এবং ইউক্রেন সরকারের যৌথ প্রস্তাবনায় ১১ ডিসেম্বর, ২০০২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত ৫৭/১২৯ প্রস্তাব অনুযায়ী এ দিবসের রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস প্রথম উদ্যাপন করা হয়। 

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১টি রাষ্ট্রের জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তীতে লুপ্ত লীগ অব নেশন্সের স্থলাভিষিক্ত হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ ও দুইটি পর্যবেক্ষণকারী দেশ জাতিসংঘের সদস্য। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১. শান্তি ভঙ্গের হুমকি ও আক্রমণাত্মক প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ২. সব মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা, ৩. অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পুরো জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা, ৪. জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধবোধ গড়ে তোলা, ৫. আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা, ৬. প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি এবং তা সমুন্নত রাখা, ৭. উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যধারা অনুসরণ করা।

১৯৪৫ সালে শক্তিধর দেশের উদ্যোগে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হলেও জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠাকালে সারা বিশ্বের মানুষ ও অধিকাংশ দেশগুলো এটাকে সমর্থন দিয়েছিল। সবার প্রত্যাশা ছিল একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার। হানাহানি, যুদ্ধ, ধ্বংস শেষ করে এবার বিশ্বে শান্তি বিরাজ করবে। সারা বিশ্বে এবার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের যে স্থায়ী সদস্য দেশগুলো ছিল তাদের ওপর সবার প্রত্যাশা ছিল বেশি। তারা পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করবে এবং পাশাপাশি অন্য ক্ষুদ্র বা অনুন্নত রাষ্ট্রগুলোকেও সহায়তা করবে। ক্ষুধা, দারিদ্র্য দূর হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। অনেকে বলেন জাতিসংঘ তার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য পালনে অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয়েছে। প্রথমত, জাতিসংঘ উপনিবেশবাদের সমাপ্তি ষোষণা করতে পেরেছে। রাষ্ট্রগুলোকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দান করতে জাতিসংঘের ভূমিকা গৌরবোজ্জ্বল। ষাটের দশকে এশিয়া, আফ্রিকা মহাদেশের জাতীয়তাবাদের মুক্তিসংগ্রামকে জাতিসংঘ সহায়তা করেছে। যেসব জনগোষ্ঠী নিজেদের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে, সেগুলোকে জাতিসংঘ নির্বিঘ্নে সহায়তা করেছে। ফলে উপনিবেশবাদ থেকে বিশ্ব মুক্ত হয়েছে। অনেক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের এই উদ্যোগ অনেক বেশি ইতিবাচক ও সর্বজনীন।

জাতিসংঘ কর্তৃক শান্তি রক্ষা মিশন জাতিসংঘের একটি বড় সফলতা। শান্তি রক্ষা মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘ যুদ্ধে আক্রান্ত দেশগুলোকে সহায়তা করছে, বিভিন্ন আঞ্চলিক, উপ-আঞ্চলিক বিদ্রোহ দমনে সেই রাষ্ট্রগুলোকে শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ শান্তি রক্ষায় সর্বদা উদ্যোগী, সব অবস্থায় শান্তির পক্ষে ও শান্তি রক্ষাকে বাংলাদেশ মৌলিক কাজ বলে মনে করে। জাতিসংঘের এই মিশনে বাংলাদেশের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বাংলাদেশ সুষ্ঠুভাবে পালন করছে। অন্যদিকে বলা যায়, জাতিসংঘও শান্তি রক্ষা মিশনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব শান্তি রক্ষা, যা তার মৌলিক কাজ তা পালন করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষার এ কথাগুলো বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার। তবে এটিও বলে রাখা দরকার যে, এই কার্যক্রম সব সময় নির্বিঘ্ন থাকেনি। অনেক সময়ই এ কাজ নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। তারা সবাই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেছে। তবে এটি মনে রাখতে হবে, এটি জাতিসংঘের একটা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। যদিও এখনো শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রম চলমান। আমরা চাই আস্তে আস্তে এই কার্যক্রম কমে আসুক। সারা বিশ্বে শান্তি বিরাজ করুক। যদিও এখন পর্যন্ত এই বাহিনী রাখার যৌক্তিকতা আছে।

তবে বর্তমান বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো পরমাণু অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতায় লিপ্ত এবং হিরোসিমা ও নাগাসাকি পৃথিবীর মানুষের কাছে নৃশংসতম বর্বরতার একটি প্রতিচ্ছবি হিসাবে বছরের পর বছর ধরে চিত্রিত হয়ে আসছে। হিরোশিমা ও নাগাসাকির নাম শুনলেই বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষের মন ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। অথচ এর চির অবসান হওয়া দরকার। এ জন্য প্রয়োজন সকল দেশের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি। কেউ পারমাণবিক অস্ত্রের বিশাল মজুদ গড়ে তুলবে, পৃথিবীকে তটস্ত রাখবে আর কেউ এর অধিকারী ও হতো পারবে না তা তো কোন আইন হতে পারে না। এজন্য বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তিধর দেশগুলোর সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব পরিহার করতে হবে।

এ কারণে জাতিসংঘকে অনেকেই কাগুজে বাঘ বলে থাকে কারণ জাতিসংঘের অনেক কার্যাবলী, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পঞ্চভূত বা পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদের ভেটো পাওয়ারের কাছে অসহায় ও সীমাবদ্ধ। পাঁচটি স্থায়ী সদস্যদের স্বার্থের বাইরে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করতে পারে না। প্রত্যেকটি স্থায়ী সদস্য পারমাণবিক শক্তির অধিকারী এবং তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছায় বিশ্বে অনেক কিছু সংগঠিত হয়। তাদের অঙ্গুলি নির্দেশে বিশ্বের কূটনীতি ও রাজনীতি আবর্তিত হয়। ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন এর জ্বলন্ত প্রমাণ। তা ছাড়া, জাতিসংঘ মূলত বৃহৎ শক্তিধর দেশের চাঁদায় পরিচালিত এবং কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে চাঁদা দানকারী দেশগুলোও মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এজন্য বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ অনেক সময় বৃহৎ পাঁচ স্থায়ী সদস্যদের কাছে অসহায় বোধ করে।

পৃথিবীর অর্ধেকের ও বেশি মানুষ এখনো দারিদ্র সীমার নীচে বাস করে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সহ মৌলিক অধিকার ও সুবিধা থেকে এসব মানুষ বঞ্চিত। অথচ মানব জাতিকে ধ্বংসের জন্য উন্নত দেশসমূহ মারণাস্ত্র তৈরির পিছনে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। এসব না করে উন্নত দেশের নেতৃবৃন্দ আজ যদি তাদের সময়, শ্রম এবং অর্থকে বিশ্বব্যাপী বিরাজমান দারিদ্র্য, অশিক্ষা, মারণব্যাধি এইডস এবং করোনা মহামারী নির্মূলের জন্য ব্যয় করতো তাহলেই বরং বিশ্ববাসী উপকৃত হত এবং শান্তি পেত। মারণাস্ত্র তৈরীর জন্য যেই বাজেট ব্যয় হচ্ছে, সেই বাজেটের সিকি ভাগও যদি আজ মানব জাতির জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের জন্য ব্যয় হত তাহলে পৃথিবী আজ ক্ষুধা এবং দারিদ্রতা মুক্ত হত। আর এটাই হত সত্যিকার অর্থে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র চর্চা। 

তবে, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাষ্ট্রগুলোর যে চরিত্র ছিল, তা এখন দৃশ্যতই অনেকটা পাল্টে গেছে। আগে রাষ্ট্রীয় সংঘাতের চেহারা ছিল আন্তরাষ্ট্রীয়, এখন এক দেশের সঙ্গে আর এক দেশের সংঘাত। বর্তমানে এমন সংঘাতের চেহারা পাল্টে গেছে বা বলা চলে নতুন রূপ পেয়েছে। বিশেষ করে পরিবর্তিত বিশ্ব এই প্রেক্ষাপট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৯১ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির মধ্য দিয়ে বিশ্বে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখন আন্তরাষ্ট্রীয় সংঘাতের চেয়ে বড় বিপদের কারণ হয়েছে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংঘাত। বাইরের রাষ্ট্র এসে আক্রমণ করছে না। কিন্তু রাষ্ট্রের নিজের ভেতরেই যে সংঘাত, দ্বন্দ্ব তাই তাকে সামগ্রিক সংঘাতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোর অবস্থা এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে। যেমন কঙ্গো, সিয়েরা লিওন, আইভরি কোস্ট, সুদান ছাড়াও আরো কিছু নতুন দেশ যেমন ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানের ঘটনা। বর্তমানে সব দেশই অন্তরাষ্ট্রীয় সংঘাতে ভুগছে। ফলে আন্তরাষ্ট্রীয় সংঘাতের চেয়ে এখন অন্তরাষ্ট্রীয় সংঘাত তীব্র হচ্ছে। রূপান্তর ঘটেছে, বদলে যাচ্ছে সংঘাত ও সংগ্রামের চিত্র। খুবই দুঃখজনক হলেও সত্যি যে সংঘাতের এই চেহারা দিন দিন বেশ জটিল হচ্ছে। যদিও জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশে শান্তি রক্ষা মিশন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, অন্তরাষ্ট্রীয় সংঘাত সুরাহা করার জন্যও সে প্রস্তুত। কিন্তু তাতে খুব বিশেষ সফলতা দৃশ্যমান হচ্ছে না। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় কয়েক বছর ধরে যে ধরনের সংঘাত বিরাজ করছে, তা আমাদের মনে শঙ্কার জন্ম দেয়। আবার কয়েক বছর ধরে যেমন উদ্বাস্তু স্রোত দেখা যাচ্ছে, তাতে সমস্যা আরো প্রকট বলেই বোধ হয়। হাজার হাজার মানুষ যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছে, জীবন বাঁচানোর জন্য অন্য দেশের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছে, তা খুবই পীড়াদায়ক। এগুলো আমাদের মর্মাহত করে, হতাশ করে।

মনে রাখা দরকার, ব্যাপক এই জনস্রোত, লাখ লাখ জনগোষ্ঠীর উদ্বাস্তুতে পরিণত হওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার চলমান সংঘাতের ফসল। এটি কিন্তু সংঘাতের কারণ নয়, ফলাফল। তাই যে অবস্থা এই সংঘাতের কারণ তা নিবারণ করা অতি জরুরি। এই সংঘাতে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তাদেরই তা নিবারণ করতে হবে। তারা হয়তো বলবে এ সমস্যা ওই সব দেশের নিজেদের সমস্যা। কিন্তু এটি যদিও  অনেকের ব্যক্তিগত মত, তবু তাদের অবশ্যই এই সংঘাত নিবারণের জন্য নিজেদের সচেষ্ট হতে হবে। তারা নিজেরা না পারলে জাতিসংঘ এ ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু জাতিসংঘ অনেক ক্ষেত্রে সফল হতে পারছে না।

তবে স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগে, জাতিসংঘ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করলেও, আসলেই কি বিশ্বে শান্তি বিরাজ করছে? মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টি করে অত্র এলাকার একটি অশান্ত পরিবেশ তৈরি করছে। লাখ লাখ নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়া কোনো ক্রমেই বিশ্ব শান্তির সহায়ক নয়। আবার যে ইউক্রেনের প্রস্তাবনায় বিশ্ব শান্তিরক্ষা দিবসের সূচনা, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, সেই ইউক্রেন এখন অশান্তির আগুনে জ্বলছে! শুধু তাই নয় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ডামাডোল সারা বিশ্বকে নানাভাবে প্রভাবিত করছে। তা ছাড়া সারা বিশ্বে যে লাখ লাখ শরণার্থী পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা থেকে এই প্রশ্ন আসতেই পারে। এখন অনেক দেশে গৃহযুদ্ধ চলছে, মানুষ জীবিকার তাগিদে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। সর্বত্রই একটা অস্থিরতা বিরাজমান। সুতরাং সংঘাত নয়, যুদ্ধ নয়, অশান্তি নয়, দেশে দেশে শান্তি বিরাজ করুক, এ হোক জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সার্বজনীন শ্লোগান ও অঙ্গীকার।

জিল্লুর রহমান : ব্যাংকার ও কলাম লেখক।  
আজকালের খবর/আরইউ









Loading...
Loading...
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: ৪১০২১৯১৫-৬, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor$gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor$gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft