মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ও দেশের জ্বালানি চাহিদা বিবেচনায় এলএনজি আমদানি বাড়াচ্ছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে কাতার থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কার্গো দুটি আগামী ৬ ও ২২ নভেম্বর দেশে সরবরাহ করা হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে সরকারি পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কার্গো দুটি কেনা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতিরিক্ত দুই কার্গো এলএনজির জন্য চুক্তিতে বিদ্যমান দামের তুলনায় ভিন্ন মূল্য নির্ধারণ করা হবে। আগামী ৬ নভেম্বর একটি এবং ২২ নভেম্বর আরেকটি কার্গো সরবরাহের কথা রয়েছে।
দেশে গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সাম্প্রতিক সময়ে এলএনজি আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আরও ছয় কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ডারাব ইনক ও মাইন্ড মিঙ্গল এলএলসির কাছ থেকে সরাসরি চার কার্গো এবং অক্টোবরের জন্য টোটাল এনার্জিস ও ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে দুটি কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়া অক্টোবর থেকে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে প্রতি মাসে দুটি করে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি সরাসরি কেনার সিদ্ধান্ত রয়েছে সরকারের।
এদিকে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস প্রবাহ বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও অনেক শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ এখনো স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এতে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতেও ঘাটতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আজকালের খবর/বিএস