ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বুধবার ● ২১ এপ্রিল ২০২১ ● ৮ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার   বুধবার ● ২১ এপ্রিল ২০২১
শিরোনাম: আগস্ট- সেপ্টেম্বরের আগে টিকা রপ্তানি করতে পারবে না ভারত: আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের       হেফাজতের আশার গুড়ে বালি: অসুস্থতার ভান       খালেদা জিয়ার শরীরে ব্যথা নেই, ২-৩ দিন পর ফের পরীক্ষা       বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু        রাশিয়া বাংলাদেশে করোনা টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে: মোমেন       ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প       লকডাউনে যুবকের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই এসআই ক্লোজড      
প্রিন্ট সংস্করণ
প্রাথমিকের বঞ্চিত ছয় লাখ শিক্ষার্থী পাচ্ছে উপবৃত্তি
তথ্য আপলোড করতে আরেক দফা সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Friday, 9 April, 2021 at 1:43 AM


জন্মনিবন্ধন সনদসহ সকল তথ্য সার্ভারে আপলোড করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সোয়া ছয় লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি বঞ্চিত হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির সুবিধা দিতে সার্ভারে তথ্য আপলোড করতে আরেক দফা সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে ‘নগদ’ সার্ভারে তথ্য আপলোড করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীর সকল তথ্য আপলোড করতে উপবৃত্তি প্রকল্প থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যর্থ হলে উপবৃত্তির সঙ্গে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জামা-জুতা কিনতে এককালীন এক হাজার টাকা থেকে বঞ্চিত হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ইউসুফ আলী আজকালের খবরকে বলেন, গত বছরের দ্বিতীয় কিস্তির বকেয়া টাকা ফেব্রুয়ারি মাসে বিতরণ শেষ হয়েছে।  যেসব শিক্ষার্থীর তথ্য সমস্যা ছিল তাদেও এ কিস্তির টাকা দেওয়া হয়নি। তবে তথ্য আপডেট করলে পরবর্তী কিস্তির টাকা পাবে। তিনি আরো বলেন, সার্ভারে শতভাগ তথ্য আপলোড করা না হলে কাউকে উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার সুযোগ নেই। এখনো যারা তথ্য আপলোড করতে পারেনি তাদের আরেক দফা সুযোগ দেওয়া হবে। কতজন শিক্ষার্থী এখনো ডাটা এন্ট্রির বাইরে রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই দফা তথ্য আপলোড করার পর এখন কতজন বাকি তা জানা নেই।
সূত্র জানায়, প্রাথমিক স্তরের এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয় সরকার। এতদিন রূপালী ব্যাংকের শিউর ক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হতো। গত বছর নতুন করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণের চুক্তি করে সরকার। এরপর নগদের সার্ভারে শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন, পিতা/মাতার এনআইডি, সঠিক মোবাইল নম্বর দিয়ে নতুন করে তথ্য এন্ট্রি দিতে হয়। কিন্তু জন্মনিবন্ধন না থাকা, পিতা বা মাতার মোবাইল নম্বরে সমস্যা, শিক্ষার্থীদের খুঁজে না পাওয়ারসহ বিভিন্ন কারণে ছয় লাখ ২৫৬ জন শিক্ষার্থী সার্ভারে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে পারেনি। ফলে সর্বশেষ কিস্তি (২০২০ সালে এপ্রিল-মে)  উপবৃত্তির টাকা তারা পায়নি। সামনে জুলাই থেকে ডিসেম্বর এ ছয় মাসের উপবৃত্তির সঙ্গে জামা ও জুতা কেনার জন্য এককালীন আরো এক হাজার টাকা কিট অ্যালাউন্স দেওয়া হবে। বঞ্চিত এসব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির এ সুবিধার আওতায় আনতে উদ্যোগ নিয়েছে উপবৃত্তি প্রকল্পের কর্মকর্তারা।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ এক কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯০ জনের তথ্য সার্ভারে আপলোড হয়েছে। বাকি শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রির আওতায় আনতে দুই দফা সময় দেওয়া হয়। সর্বশেষ আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আরেক দফা সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এ ছয় মাসের উপবৃত্তির অর্থ , জুতা ও জামা কেনার জন্য এককালীয় এক হাজার টাকা কিট অ্যালাউন্স দেওয়া হবে। সেজন্য সর্বশেষ নগদের সার্ভার ‘ঢ়বংঢ়সুহধমধফ’ পোর্টাল উন্মুক্ত করা হবে। সে লক্ষ্যে ২০২১ সালের শিক্ষার্থীদের যাবতীয় তথ্য (জন্ম নিবন্ধন, পিতা/মাতার এনআইডি, সঠিক মোবাইল নম্বর ইত্যাদি হালনাগাদ নেই তাদের জরুরি ভিত্তিতে তাদেরকে আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তথ্য প্রমাণ দিয়ে হালনাগাদ করতে হবে। গত বুধবার ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্প থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সারাদেশে আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বাদ পড়া শিক্ষার্থী অভিভাবকদের কাছে জরুরি ভিত্তিতে এ বার্তাটি পৌছাতে হবে। নির্দেশনা বলা হয়েছে, ২০২১ সালের তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তির উপবৃত্তির অর্থ ও কিট অ্যালাউন্স সুবিধাভোগীর মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রেরণের নিমিত্তে সুবিধাভোগী নির্বাচনসহ ডিমান্ড সংক্রান্ত ডাটা এন্ট্রির যাবতীয় তথ্যাদি পোর্টালে এন্ট্রির জন্য আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করে পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হলো।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘নগদের সঙ্গে প্রাথমিকের উপবৃত্তির অর্থ বিতরণের চুক্তির পর বেশকিছু নতুন শর্ত আরোপ করা হয়। এর মধ্যে শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক। কিন্তু করোনার মধ্যে জন্মনিবন্ধনের কেন্দ্রীয় সার্ভারে সমস্যা থাকায় অভিভাবকরা সনদ সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে উপবৃত্তির টাকা পাননি তাদের সন্তানরা। এ কারণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জামা-জুতা কেনার এককালীন এক হাজার টাকা পাওয়া নিয়েও অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে।
সর্বশেষ এক কোটি ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯০ জনের তথ্য সার্ভারে আপলোড হয়েছে। সার্ভারে আপলোড হওয়া তথ্যের সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদ না থাকা এবং অন্যান্য ত্রুটি থাকায় ছয় লাখ ২৫৬ শিক্ষার্থী উপবৃত্তির বাইরে রয়েছে। এরপর আরো দুই দফা ডাটা এন্ট্রি করার সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে জন্মনিবন্ধনসহ সঠিক তথ্য রয়েছে এক কোটি আট লাখ ১৪ হাজার ৫৩৪ জনের। সঠিক তথ্য থাকা শিক্ষার্থীদের গত বছরের এপ্রিল থেকে জুনের বকেয়া উপবৃত্তির টাকা গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিতরণ শেষ হয়েছে। কিন্তু সার্ভারে আপলোড হওয়া তথ্যের সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদ না থাকা এবং অন্যান্য ত্রুটি থাকায় ছয় লাখ ২৫৬ শিক্ষার্থী এ কিস্তির উপবৃত্তির টাকা পায়নি। এনএমএস।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com