ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বুধবার ● ২১ এপ্রিল ২০২১ ● ৮ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার   বুধবার ● ২১ এপ্রিল ২০২১
শিরোনাম: আগস্ট- সেপ্টেম্বরের আগে টিকা রপ্তানি করতে পারবে না ভারত: আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের       হেফাজতের আশার গুড়ে বালি: অসুস্থতার ভান       খালেদা জিয়ার শরীরে ব্যথা নেই, ২-৩ দিন পর ফের পরীক্ষা       বুধবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু        রাশিয়া বাংলাদেশে করোনা টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে: মোমেন       ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প       লকডাউনে যুবকের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করা সেই এসআই ক্লোজড      
প্রিন্ট সংস্করণ
ধর্মীয় উসকানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Thursday, 8 April, 2021 at 1:54 AM


সম্প্রতি হেফাজতসহ বিভিন্ন সহিংসতায় কঠোর হচ্ছে সরকার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যারা উসকানি দিয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এমন একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রধানদের। এদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও রিসোর্টে ভাঙচুরের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে তিনটি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামিও করা হয়েছে।
কঠোর সরকার:
অনিয়ন্ত্রিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের লাগাম টানতে চলতি সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। সূত্র জানায়, সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রধান ও সব সংস্থা প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনার। এ বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও তৎপর এখন মাঠ পর্যায়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। সহিংসতা এবং উসকানি ছড়ানো ফেসবুক আইডি এবং পেজগুলোকে শনাক্ত করে মামলা করা হবে।’
ফেসবুকে ছবি দেখে এর মধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সহিংসতার সময় সোশ্যাল মিডিয়ার গতি কমিয়ে দেওয়া হলেও ভিপিএনসহ বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করেছে দুর্বৃত্তরা। ভোগান্তিতে ছিলেন সাধারণ মানুষ। তাই ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সালাউদ্দিন সেলিম বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের দেশের জন্য জরুরি প্রয়োজন হচ্ছে ‘কন্টেন্ট পাবলিশিং পলিসি’। যেটা তথ্য-প্রযুক্তি আইন দিয়ে হবে না। এটা কোর্ট থেকে অনুমোদিত একটি আইন। সেই আইন অনুযায়ী কী ধরনের কন্টেন্ট ডিজিটাল মিডিয়াতে পাবলিশড হবে এবং ডিজিটাল মিডিয়াগুলোর দায়বদ্ধতাসহ একটা আইন তৈরি করতে হবে।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এনআইডি দিয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য ফেসবুককে একাধিকবার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সাড়া দেয়নি তারা। শিগগিরই তাদের সঙ্গে আবারো বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ।
রিসোর্টে হামলা: মামুনুলসহ ৮৩ জনের নামে তিন মামলা:
পুলিশের ওপর হামলা ও রিসোর্টে ভাঙচুরের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে তিনটি মামলা হওয়ার খবর গতকাল বুধবার নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে তিনটি মামলা হয়। পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছে। আর সাংবাদিক বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।
এ ছাড়া সম্প্রতি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত নাশকতা ও সংঘাতের ব্যাপারেও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘সন্ত্রাস, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উসকানিদাতাদের তালিকা প্রস্তুত করে এদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’ সাম্প্রতিক সহিংসতায় জড়িতদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আগুন নিয়ে খেলতে গেলে সে আগুনে আপনাদের হাত পুড়ে যাবে। দেশের জনগণের ধৈর্য ও সহনশীলতার একটা সীমা আছে। সীমা অতিক্রম করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।’
এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে বলেন, সহিংসতার ব্যাপারে সরকার কোনো ছাড় দেবে না। তারা যে কর্মকাণ্ড করেছে, সেটা মোকাবিলা করতে হলে শত শত মানুষকে গুলির মুখে ফেলতে হতো। কিন্তু সেটা সরকার করেনি। সরকার ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। সারা জাতি দেখেছে এবং সারা পৃথিবীর মানুষ দেখেছে যে, ধর্মান্ধরা কী করতে পারে। এবার সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে। কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, যারা এ ধ্বংসাত্মক কাজে জড়িত ছিল, তাদের সবাইকে আইন অনুযায়ী কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। তারা কোনোক্রমেই রেহাই পাবে না।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকালে দেশে সহিংসতার ঘটনায় সারা দেশে মোট ২৫টি মামলা হয়েছে।
গত ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় ৫ এপ্রিল হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি করেন। এসব অভিযোগেই সরকার এখন মামুনুল হক এবং হেফাজতের নেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কথা থেকেও সে ধারণা পাওয়া গেছে। গত ৪ এপ্রিল মাওলানা মামুনুল হকের সাম্প্রতিক ঘটনা প্রসঙ্গে সংসদে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি বলেন, মামুনুল যে নারীকে নিয়ে গিয়েছিলেন, তিনি পার্লারের কর্মী। একদিকে বউ হিসেবে পরিচয় দেয়, আবার নিজের বউয়ের কাছে বলে যে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমি এটি বলে ফেলেছি। যারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে, এ রকম মিথ্যা কথা, অসত্য কথা কি তারা বলতে পারে? এরা ধর্মের নামে অধর্মের কাজ করে বলে আজ ইসলাম হুমকির মধ্যে। এরা আসলে ধর্ম ব্যবসায়ী। ধর্মের নামে কলঙ্ক। এদের ছাড় দেওয়া হবে না। যারাই ধর্মের নামে অধর্মের কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হেফাজতের পদ হারাতে পারেন:
অন্যদিকে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে চলমান বিতর্কে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে হেফাজতে ইসলামের ভেতরে। একের পর এক ফোনালাপ ফাঁস, দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় ছেলের অনলাইন বক্তব্যসহ নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে সংগঠনটির ভেতরে বেশ জটিল পরিস্থিতির আভাস পাওয়া গেছে। অনেকের মতে, সার্বিক ঘটনায় ঘরে-বাইরে বেশ চাপের মুখে পড়েছেন মামুনুল হক।
এমন অবস্থায় মামুনুল হককে এখনই বহিষ্কার করার মতো পরিস্থিতি তৈরি না হলেও তার পদের ব্যাপারে ভবিষ্যতে কী করা উচিত, তা নিয়ে সংগঠনটির ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংগঠনটির দুজন নেতা জানিয়েছেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ যে হারে বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে শেষ পর্যন্ত তার পদ খোয়াও যেতে পারে।  
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের রিসোর্টে সংঘটিত ঘটনার সময় হেফাজতকর্মীরা তার পক্ষে অবস্থান নিলেও একের পর এক ভিডিও এবং তথ্য ফাঁসের ঘটনায় কর্মীদের পাশাপাশি দলটির নেতারাও বিস্মিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। কারণ তারা জানতেন না যে, মামুনুল হক রিসোর্টে নাম লেখানোর সময় তথ্য গোপন করেছেন। তা ছাড়া সরকারের সঙ্গে চরম বৈরী পরিস্থিতির মুখে এবং সারা দেশে করোনার পরিস্থিতির মধ্যে তিনি কীভাবে রিসোর্টে যেতে পারলেন, তা নিয়ে হেফাজতের বাইরে সমমনা ইসলামী দলগুলোর পাশাপাশি শুভাকাক্সক্ষীদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে। বলা হচ্ছে, মামুনুল হক শুধু হেফাজত নয়, ইসলামপন্থিদেরও সুনাম নষ্ট করেছেন। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত শনিবার রিসোর্টে সংঘটিত ঘটনা নিয়ে গত সোমবার হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরী কমিটির বৈঠকে মামুনুল হকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত নেতারা একমত হয়ে তাকে বলেছেন, দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তার রিসোর্টে যাওয়া ঠিক হয়নি। একটি সূত্রমতে, সোমবারের বৈঠকে রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া নারী তার বিবাহিত স্ত্রী কিনা? সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয় মামুনুল হকের কাছে। তিনি ওই নারীকে ‘বিবাহিত দ্বিতীয় স্ত্রী’ দাবি করলেও এ বিষয়ে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। বৈঠকে উপস্থিত কেন্দ্রীয় একজন নেতা সাংবাদিকদের জানান, ‘কাগজপত্র কীভাবে দেখাবেন? কারণ দ্বিতীয় বিবাহ করতে হলে তো প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিতে হয়। সেই কাগজপত্র তো নেই।’
হেফাজতের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মামুনুল হকের অতিমাত্রায় উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্যে এর আগেও হেফাজতকে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। ভাস্কর্য ও নরেন্দ্র মোদি সফর ইস্যুতে তার উসকানিমূলক কথাবার্তায় হেফাজতের মুরব্বিরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন; কিন্তু জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে মামুনুল হক কাউকে তোয়াক্কা করেননি এবং একচেটিয়া বক্তব্য চালিয়ে গেছেন।
এদিকে তার গোপন বিয়ের বিষয়টি নিয়ে আলেম সমাজের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। অনেক আলেম-উলামা এ ঘটনায় মামুনুল হকের বিচার চেয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারির বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় চলছে। আজহারি বলেছেন, গোপনে বিয়ে করা বা বিয়ে গোপন রাখা ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কঠিন অপরাধ। দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) এ ধরনের ব্যক্তিদের কঠিন শাস্তি দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। সার্বিক প্রেক্ষাপটে হেফাজতের পদ থেকে মামুনুল হককে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে মনে করেন বেশ কয়েকজন নেতা।
আত্মগোপনে মামুনুল:
গত শনিবার সোনারগাঁয়ের রিসোর্টে নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার পর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে সন্তানদের নিয়ে বের হয়ে যান মামুনুলের স্ত্রী। এরপর থেকে তিনি আর বাসায় ফেরেননি। আর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টের ঘটনাপ্রবাহের পর হেফাজত নেতা মামুনুল হকও তার মোহাম্মদপুরের বাসায় ফেরেননি বলে জানিয়েছেন বাসার নিরাপত্তারক্ষী। আর মামুনুলের রিসোর্ট সঙ্গিনীর খোঁজও মিলছে না। তিনি মোহাম্মদপুরের একটি বিউটি পার্লারে কাজ করেন বলে বিষয়টির খোঁজখবর রাখা নারায়ণগঞ্জ পুলিশের একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য মিলেছে। তবে সেই নারীর অবস্থান এখন কোথায়, সেটি জানতে পারেননি তিনিও। মোহাম্মদপুরে যে মাদ্রাসায় মামুনুল হক শিক্ষকতা করেন, সেখানে তিনি গেছেন বলে দাবি করেছেন তার দল খেলাফত মজলিসের এক নেতা। যদিও সেই মাদ্রাসার নিরাপত্তারক্ষী বলেছেন উল্টো কথা। মামুনুল ঢাকায় থাকেন মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের এক নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে। সেটির নিরাপত্তা কর্মী ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মামুনুল হক সাহেব ওইদিনের ঘটনার পর আর বাসায় আসেননি; উনি বাসায় নেই। তিনি এখন কোথায় আছেন এমন প্রশ্নে ইকবাল বলেন, আমি জানি না। আমি গার্ড, আমি এত কিছু বলতে পারব না। যদিও শনিবার রিসোর্টে যাওয়ার দিন সকালে মামুনুল এই বাসা থেকে বের হন একা। ফেসবুকে রিসোর্টকাণ্ডের লাইভ শুরু হওয়ার পর তার ছেলেদের নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান তার স্ত্রী। রিসোর্টকাণ্ডের পর স্ত্রী ও ছেলেরা আর বাসায় ফেরেননি বলে জানান নিরাপত্তারক্ষী ইকবাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘তিন দিন হলো তারাও কেউ বাসায় নেই। কোথায় গিয়েছেন বলে যাননি।’ আর মামুনুলের সেই মাদ্রাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। ফটকে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আল আমিন বলেন, ‘উনি গত কয়েক দিন মাদ্রাসায় আসেননি। এখন কোথায় আছেন আমি জানি না। ভেতরে দায়িত্বশীল কেউ আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভেতরে মাস্টার্স (দাওরায়ে হাদিস) পরীক্ষা চলছে। প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। মাওলানা মামুনুল হক সবশেষ কবে এসেছিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবশেষ কবে এসেছিলেন আমি বলতে পারব না। এনএমএস।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com