ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  সোমবার ● ১৯ এপ্রিল ২০২১ ● ৬ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার  সোমবার ● ১৯ এপ্রিল ২০২১
শিরোনাম: ৪৮ ঘণ্টা জ্বর না আসলে খালেদা জিয়া শঙ্কামুক্ত: চিকিৎসক       লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর       মামুনুলের বিরুদ্ধে ঢাকায় ১৭ মামলা       ঢাকা ছেড়েছে অভিবাসী শ্রমিক বহনকারী চার বিশেষ ফ্লাইট       দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর       হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেপ্তার       সূর্যের আলোয় বেশি থাকলে করোনায় মৃত্যুঝুঁকি কম       
যেভাবে রক্ষা পেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের রেকর্ড
নিউজ ডেস্ক
Published : Sunday, 7 March, 2021 at 1:08 AM


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৭ মার্চের সেই ভাষণ, যা ছিল বাঙালির সেই মুক্তি সনদ, সেই ভাষণের মূলকপি বা রেকর্ডটি রক্ষা করতে হয়েছিল জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।  পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে  তৎকালীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা বিভাগের ক্যামেরা সহকারী  খন্দকার আমজাদ আলী এ রেকর্ড সংরক্ষণে সহযোগিতা করেছিলেন। ভাষণ রেকর্ডের পর সেটা সংরক্ষণে উদ্যোগী হন মহিবুর রহমান খান নামে বিটিভির এক কর্মী।

আবুল খায়ের নামে এক অভিনেতার পরামর্শে তার ভাগ্নি জামাতা অধ্যক্ষ রেজাউর রহমানের বাড়ি  দোহারের চরকুশাই গ্রামে নেওয়া হয় রেকর্ডটি। অধ্যক্ষ রেজাউরের বাবা দানেছ খানের পরামর্শে তাদের বাড়ির ধানের গোলার ভেতর ভিডিও রেকর্ডটি লুকিয়ে রাখা হয়।

এ বিষয়ে আমজাদ আলী খানের ভাষ্য থেকে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও ধারণ হয়েছিল তৎকালীন সরকারের ক্যামেরায়। অনেকের চোখ ফাঁকি দিয়ে তা ডেভেলপ করার পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্ষা করা হয় পাকিস্তানি হানাদারদের থাবা থেকে।

তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান সরকারের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা দপ্তরে কর্মরত কয়েকজন মুক্তিকামী বাঙালির বীরত্বে রক্ষা পেয়েছিল বাঙালির ইতিহাসের এ অমূল্য সম্পদ।

ভাষণের মাসখানেকের মাথায় সেটা সচিবালয় থেকে লুকিয়ে নেওয়া হয়েছিল দোহারের একটি বাড়িতে। সেখানে ধানের গোলায় মাসখানেক রাখার পর নিয়ে যাওয়া হয় ভারতে।

৯ মাস পর ভিডিও রেকর্ডটি ফিরে আসে আবার স্বাধীন বাংলাদেশে। পাকিস্তানি সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সচিবালয় থেকে ঢাকার দোহারে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের টেপ নিয়েছিলেন আমজাদ আলী খন্দকার; তিনি ওই সময় চলচ্চিত্র বিভাগের ক্যামেরা সহকারী ছিলেন।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষণের রেকর্ড একটি বাক্সে ভরে লুকিয়ে রাখা হয় ওই বাড়িটিতে; যা ছিল নিরাপদ স্থান। তখন এটা ছিল দোহার উপজেলা থেকে একেবারেই প্রত্যন্ত জনপদ। এনএমএস।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com