ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বুধবার ● ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ● ১৪ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার   বুধবার ● ২৭ জানুয়ারি ২০২১
শিরোনাম: দেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু       করোনার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন       বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সৈয়দ লুৎফুল হক আর নেই       চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে       কিন্ডারগার্টেন খুলতে বাধা নেই ফেব্রুয়ারিতে সরকারি প্রাথমিক        চাল-পেঁয়াজের দাম বাড়ার নেপথ্যে মজুত- সিন্ডিকেট       অযোগ্য গাড়ি ও অদক্ষ চালকই সড়কে ঝুঁকি       
আড়াইহাজারে বাড়ছে মিশ্রিত গুড়ের চাহিদা
মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, আড়াইহাজার
Published : Thursday, 14 January, 2021 at 7:44 PM

চিনির দাম কম থাকায় গুড়ের চাহিদা খুব একটা নেই। গুড়ের দাম কেজি প্রতি চিনির চেয়ে দ্বিগুন। তার পরও গুড়ের কদর রয়েছে। ভেজালের মহোসৎবেও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আখ চাষিরা গুড় উৎপাদনে শুধু মাত্র শিমুল গাছের ছালের রস ব্যবহার করে থাকেন। এতে গুড়ের রং আকর্ষণীয় হয়। তবে এটি মানব দেহের কোনো ক্ষতি নেই। কোনো রাসায়নিক কেমিকেল গুড়ে ব্যবহার করা হয় না। এর ফলে দাম কিছুটা বেশী হলেও এ গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে জানান আখ চাষিরা। তবে অসাধু ব্যবসায়ীরা ময়দা, রং ও বিভিন্ন অসদউপায় অবলম্বন করে গুড় তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করছেন। 

সম্প্রতি আড়াইহাজারে এমনই একটি গুড় তৈরির কারখানা ধ্বংস করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে এ উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় গুড় উৎপাদনের করতে আখের চাষ করা হয়। প্রতি বছর শীত মৌসুমে এলাকায় আখের রস থেকে গুড় উৎপাদন করা হচ্ছে। 

খোঁজ নিয়ে যা গেছে, স্থানীয় কামনাচির চর, মাঝের চর, দাসপাড়া, চরপাড়াসহ উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক চাষি প্রতি বছরই আখের চাষ করে থাকেন। এখানকার উৎপাদিত গুড় স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বর্তমান সময়টাতে চাষিরা বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিনভর তারা আখের রস সংগ্রহ ও তা জ্বাল দিয়ে গুড় উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাইকাররা এসে গুড় কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরা ক্রেতারা ভেজাল মুক্ত গুড়ের স্বাদ নিতে চাষিদের কাছে ভিড় করছেন। প্রতি কেজী গুড় একশত টাকা থেকে একশ বিশ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কয়েক বছর ধরে নানা কারণে চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এতে আখ চাষ থেকে অনেকেই তাদের বাবা-দাদার এপেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। বর্তমানে লাভ জনক হওয়ায় অনেকেই ফের আখ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দাস পাড়া এলাকায় বেশ কিছু জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে। জমির পাশেই স্তুপ করে রাখা হয়েছে আখ। ইঞ্জিন চালিত (ছ্যালো) মেশিনের সাহায্যে বের করা হচ্ছে রস। খরচ কমাতে অনেকেই আখ থেকে রস নিংরানোর জন্য যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। আগুনে জ্বাল দেওয়া হচ্ছে রস। ঘন্টা খানেকের মধ্যে রুপান্তর হচ্ছে গুঁড়। দিনভরই চলছে চাষিদের এমন র্কমযজ্ঞ। 

আখ চাষি বিল্লাল হোসেন বলেন, তিনি ৬০ শতাংশ জমিতে দেশীয় ‘২৭’ জাতের আখের চাষ করেছেন। জমির পাশেই আখের রস জ্বাল দেওয়া হচ্ছে। এতে দুই ধরনের গুড় তৈরি করা হচ্ছে। একটি হচ্ছে তরল (ঝোলা) গুড়। অপরটি ভাড়ি। এবার প্রায় ৫০০ কেজী গুড় উৎপাদন হতে পারে বলে তিনি আশা করছি। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আখের ফলন ভালো হয়েছে। গুড়ের চাহিদাও আগের তুলনায় বেশী। 

চরপাড়া এলাকার মাখেল মিয়া বলেন, একবার আখ রোপণ করলে তিন বছর ফলন পাওয়া যায়। এতে খরচ অনেক কম। তবে গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় আখ চাষিদের লোকসান হচ্ছিল। এতে অনেকেই এপেশা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন লাভ জনক হওয়ায় অনেকেই আবার বাবা-দাদার পেশায় ফিরে আসছেন। 

আজকালের খবর/এএইস



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com