ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  সোমবার ● ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ● ৫ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার  সোমবার ● ১৮ জানুয়ারি ২০২১
শিরোনাম: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের টাকা নিয়ে জটিলতা        চার মাসে সেমিস্টার পলিটেকনিক্যালে       ভোজ্যতেলেও সিন্ডিকেট       আবেদন গ্লোবের: বঙ্গভ্যাক্সে’র ট্রায়াল হবে ঢাকার হাসপাতালে       ২৭০০ কোটি টাকার আরো দুই প্রণোদনা প্রধানমন্ত্রীর        নিয়ন্ত্রণের পথে করোনা        মোদির সফর চূড়ান্ত করতে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রসচিব      
বোরো রোপণে ব্যস্ত নোয়াখালীর কৃষকরা
মুলতানুর রহমান মান্না, নোয়াখালী
Published : Tuesday, 12 January, 2021 at 6:22 PM

চলতি বছরের বোরো (রবি) মৌসুমে ধানের চারা উত্তোলন ও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছে নোয়াখালীর কৃষকরা। তীব্র শীত উপেক্ষা করে জেলার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধান চাষের ধুম পড়েছে। চলতি বছরে জেলার ৬৫ হাজার নয়শ ৫০ হেক্টর জমিকে বোরো চাষের আওতায় আনা হয়েছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় তিন লাখ পাঁচ হাজার ছয়শ ১০ মেট্রিকটন। তবে কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি, কৃষি জমি লবনাক্ততা ও সেচ ব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৯০ হাজার হেক্টর কৃষি জমি এবছরও অনাবাদি থেকে যাচ্ছে। 

জানা গেছে, জেলার কৃষকরা কাক ডাকা ভোরে পৌষের তীব্র শীত উপেক্ষা করে ধান চাষে মাঠে নামছে। দুপুরে একটু বিরতী নিয়ে আবার কাজ শুরু করেন। আর সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে তাদের এ ব্যস্ততা। তবে শ্রমিকের সংকট হওয়ায় যারা কাজ করছে তাদের মজুরি বেশি দিতে হচ্ছে। ডিসেম্বরে শৈত্যপ্রবাহের কারণে ঘনকুয়াশা থাকায় ধানের চারা রোপণের কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে ও সবকিছু ঠিক থাকলে ভালো পলন পাওয়ার আশাবাদী জেলার কৃষকরা।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে জেলার সদর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, হাতিয়া, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, বেগমগঞ্জ ও সেনবাগ উপজেলা বোরোর চাষ করা হচ্ছে। যার মধ্যে হাইব্রিড ধান ৫০ হাজার হেক্টরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিকটন। উফশী ধান চাষ হবে ১৫ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৬১০ মেট্রিকটন।

এদিকে, ৬৫ হাজার ৯৫০ হেক্টর বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যে জেলায় ৮৬ জন বিসিআইসি সার ডিলার ও ৬১ জন বিএডিসি সার ডিলারের মাধ্যমে জানুয়ারি মাসে তিন হাজার ৩০৩ মেটিকটন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলার কবিরহাট উপজেলার উত্তর নরোত্তমপুর গ্রামের কৃষক নূর নবী, বেগমগঞ্জ উপজেলার গয়েছপুর গ্রামের ফারুক হোসেন’সহ কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা হয়। 

তারা জানান, বর্তমান সময় বোরো চাষের ভরা মৌসুম। ফজরের নামাজ শেষ করে সেই ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ধান চাষ ও জমি তৈরির কাজে তারা জমিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সার, জ্বালানি তেল ও শ্রমিকদের মজুরি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার জন্য ধান উৎপাদনে খরচ প্রতি বছরই বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আইয়ুব মাহমুদ জানান, জেলায় বীজতলা হিসেবে বোরো চাষে আমাদের যে লক্ষমাত্রা ছিল তা ছাড়িয়ে যাবে। ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলায় ১৭ হাজার পাঁচশ হেক্টর জমিতে ধান চাষ সম্পন্ন হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী জেলায় সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ থাকায় সারের সংকট হবে না।

আজকালের খবর/এএইস


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com