ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  শনিবার ● ৫ ডিসেম্বর ২০২০ ● ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার  শনিবার ● ৫ ডিসেম্বর ২০২০
শিরোনাম: আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের লাগাম টানা হচ্ছে       কাতারে নিষ্ঠুর বাস্তবতা দেখলো বাংলাদেশ       সুস্থ মাটির একটি অপরিহার্য উপাদান জীববৈচিত্র্য : রাষ্ট্রপতি       রোহিঙ্গা স্থানান্তর নিয়ে‘ভুল ব্যাখ্যা’না দেওয়ার আহ্বান        কৃষিতে আমাদের ব্যাপক উন্নয়ন বিশ্বের নজর কেড়েছে : প্রধানমন্ত্রী       হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন       ভাসানচরে সরালেও রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারেই ফিরতে হবে      
শীতে বায়ুদূষণ এবং করোনা ঝুঁকি
নাজমুন্নাহার নিপা
Published : Friday, 20 November, 2020 at 5:09 PM

বায়ুদূষণ, রাজধানীসহ পুরো দেশের মানুষের কাছে অতি পরিচিত একটি দূষণের নাম। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠে পরিবেশ। ফলে বাতাসে ভাসমান বস্তুকণার উপস্থিতি সহনীয় মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়ার হেলথ ইফেক্ট ইনস্টিটিউট ও ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন, বৈশ্বিক বায়ুদূষণের ঝুঁকিবিষয়ক শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের যে পাঁচটি দেশের শতভাগ মানুষ দূষিত বায়ুর মধ্যে বসবাস করে, তারমধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আর বায়ুদূষণজনিত মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম।

সাধারণত বাতাসে মিশে থাকে বিভিন্ন ধরনের বস্তুকণা। এই বস্তুকণার (পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম) পরিমাপ করা হয় প্রতি ঘনমিটারে মাইক্রোগ্রাম (পিপিএম-পার্টস পার মিলিয়ন) এককে। এসব বস্তুকণাকে ১০ ও ২.৫ মাইক্রোমিটার ব্যাস শ্রেণিতে ভাগ করে তার পরিমাণের ভিত্তিতে ঝুঁকি নিরূপণ করেন গবেষকরা। তারা বলেন, বাতাসে প্রতি ঘনমিটারে ২.৫ মাইক্রোমিটার ব্যাসের ব¯তুকণার পরিমাণ (পিপিএম) যদি শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকে, তাহলে ওই বাতাসকে বায়ু মানের সূচকে (একিউআই) ভালো বলা যায়। এই মাত্রা ৫১-১০০ হলে বাতাসকে মধ্যম মানের এবং ১০১-১৫০ হলে বিপদসীমায় আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। আর পিপিএম ১৫১-২০০ হলে বাতাসকে অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ হলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-৫০০ হলে অত্যšত অস্বাস্থ্যকর বলা হয়।
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার শিল্প কারখানার অবস্থান রয়েছে ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায়। এসব বস্ত্র ও ট্যানারি কারখানাগুলো প্রতিনিয়ত হাইড্রোজেন সালফাইড, অ্যামোনিয়া, ক্লোরিন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনো-অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড সহ আরও কয়েক প্রকার গন্ধহীন রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করছে যা বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে শীত মৌসুমে ইটভাটা সহ কারখানাগুলো বেশি সময় ধরে চালু থাকে যার ফলে বায়ু দূষণের প্রবণতা বেড়ে যায়।

সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন, প্রতি ঘন মিটার বায়ুতে বিপজ্জনকধুলা ও বস্তুকণা পিএম ২.৫ যদি মাত্র এক মাইক্রোগ্রাম বৃদ্ধি পায় তাহলে সেটি কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর হার ৮ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। যার প্রেক্ষিতে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।নেদারল্যান্ডসের আরেকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে- দূষণের সংস্পর্শে আসার মাত্রায় মৃত্যুর হার ২১ শতাংশ পর্যšত বৃদ্ধি করে। যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায়ও কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা এবং গাড়ির ধোঁয়া বা জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো থেকে আসা নাইট্রোজেন অক্সাইড ও স্থল-¯তরের ওজোনের মতো দূষিত বায়ুর সংস্পর্শে দীর্ঘ মেয়াদে আসার মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
এছাড়া, ইতালিতে বায়ুরমান নিয়ে গবেষণাতেও কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর হার এবং দূষণের উচ্চ ¯তরের মধ্যে সংযোগ পাওয়া গেছে। ইতালির বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা আরেকটি প্রাথমিক গবেষণায় বলা হয়েছে, বায়ু দূষণের কণায় কোভিড-১৯ আরও বি¯তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সম্প্রতি সায়েন্স অব দ্যা টোটাল এনভায়রনমেন্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাতেও দেখানো হয়েছে যে বায়ু দূষণের সংস্পর্শে দীর্ঘ মেয়াদে থাকা করোনাভাইরাসে প্রাণহানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর প্রায় ৩৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হলো বায়ুদূষণ, এসবের মাঝে ৭৫ শতাংশ মৃত্যুই ঘটে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক থেকে, বাকি ২৫ শতাংশ হয় ফুসফুসের রোগে। শুধু তাই নয়, এই মৃত্যুর ৭৫ শতাংশ ঘটে এশিয়া মহাদেশে, যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা ভয়াবহ। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা এ ব্যাপারটাকে আরো শক্তপোক্ত করেছে যে দূষিত বায়ু বেশ কিছু দিক দিয়ে আমাদের ক্ষতি করতে সক্ষম।  যেমন- জন্মগত ত্রুটি, স্ট্রোকের ঝুঁকি, কিডনির রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি।
বায়ু দূষণ মানসিক সমস্যাও বাড়ায়। দেখা যায়, বায়ু দূষণের পরিমাণ যত বেশি হয়, মানুষের হতাশা, বিষাদ, অস্থিরতা এবং অন্যান্য নেতিবাচক অনুভূতির প্রকোপ ততই বেশি হয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন থেকে জানা যায়, দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেওয়ার ফলে হতে পারে হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ।

অ্যালকোহল, কফি যেভাবে হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী, বায়ুদূষণও সেভাবেই দায়ী, ৫-৭ শতাংশ হার্ট অ্যাটাকের পেছনে বায়ুদূষণকে দায়ী করছেন গবেষকরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, ধুলার মারাত্মক দূষণ, কম আর্দ্রতা, কম সূর্যের আলো, ভিটামিন ডি-এর হালকা ঘাটতি ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে মানুষ শীতকালে অন্যান্য শ্বাসকষ্টের ভাইরাস এবং ফ্লু জাতীয় রোগের মতো করোনাভাইরাসের প্রতিও খুব সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।

যেহেতু শীতল আবহাওয়ার সময় আর্দ্রতা প্রচন্ড হ্রাস পায় এবং ধুলার দূষণ মারাত্মক মোড়নেয়, তাই এ সময় কিছু ভাইরাল ফ্লু’র উত্থান এবং শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণ বেড়ে যায়। শীতের সময় ক্রমবর্ধমান ধুলার দূষণের কারণে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে হাঁপানি, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ব্যাঘাত রোগ, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে আক্রাšত রোগীর সংখ্যা সাধারণত বৃদ্ধি পায়।তিনি আরও বলেন, লোকজন এমন রোগে ভূগলে, তা করোনা ভাইরাসযুক্ত ফোঁটাগুলোকে (ভেক্টর ড্রপলেট) এখানে-সেখানে সহজেই ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করতে পারে। সুতরাং, আমরা আশঙ্কা করছি শুষ্ক মৌসুমে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। শীতজনিত রোগে আক্রাšত রোগীরা কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হলে করোনায় মৃত্যুর হার আরও বাড়তে পারে, বলেন তিনি। তাছাড়া বয়স্ক ব্যক্তিরা এবং যাদের দীর্ঘকালীন শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা রয়েছে তারা শীতের সময়দূষণ এবং করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

উচ্চ স্তরের বায়ুদূষণের সংস্পর্শ মানুষের শ্বাসযন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় ফলে জন্ম হয় নানা ঠান্ডাজনিত রোগের, যা তাদের কোভিড-১৯ এর জন্য আরও সংবেদনশীল করে তোলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডবিøউএইচও) সম্প্রতি সতর্ক করে দিয়েছে, যেসব শহরে বায়ু দূষণের মাত্রা বেশি আছে তাদের মারাত্মক করোনা মহামারির বিরুদ্ধে তৎপরতা জোরদার করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্যে দেখা যায়, গত চার বছর ধারাবাহিকভাবে দূষণের সময় বা দিন বাড়ছে। সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যšত রাজধানীর বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়ে অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। সবচেয়ে বেশি দূষণ থাকে ডিসেম্বর থেকে ফেব্্রুয়ারি পর্যন্ত।

শীতকালে বায়ু দূষণের পাশাপাশি ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ। আইন প্রয়োগ এবং জনগণকে অনুপ্রাণিত করে সবার মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কেননা এটিই মানুষকে দূষণ এবং কোভিড-১৯ থেকে রক্ষা করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। শীতে বায়ুদূষণ থেকে রেহাই পেতে আমাদেরকে পরিবেশ বান্ধব ইটভাটা, যানবাহন ও শিল্পকারখানা গড়তে হবে। বাতাসে ক্ষতিকারক উপাদান ছড়াতে পারে এমন জ্বালানি ব্যবহার বন্ধ ও নিষিদ্ধ করতে হবে, ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে, বায়ুতে রা¯তার ধুলাবালি উড়া বন্ধ করতে বা কমাতে নিয়মিত পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে, পশুপাখির মৃত দেহ, ময়লা আবর্জনা ও বর্জ্য মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে, বাহিরে চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, রা¯তা নির্মাণ বা মেরামতের কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে, মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হবে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে- যাতে করে যেখানে সেখানে নগর বর্জ্য বা কৃষি বর্জ্য উন্মুক্তভাবে পোড়ানো না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে, প্রচলিত আইনকে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে ইত্যাদি।

এ সমস্যা একেবারে নির্মূল করা সম্ভব না হলেও ধাপে ধাপে কমিয়ে আনার মতো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সকলের ভেতর পরিবেশ বান্ধব মনোভাব তৈরি করতে হবে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সরকার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, অন্যান্য সংস্থা ও জনগণ সমন্বিত উদ্যোগ নিলে সুফল বয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়। জাতীয়ভাবে পরিবেশ রক্ষার জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত, সচেতন হওয়া উচিত।

সর্বোপরি,পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও বা¯তবায়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিভিন্ন শিল্পকারখানা, যানবাহন, নৌযান ও নিকটস্থ ইটভাটা থেকে দূষণ এবং কালো ধোঁয়া নির্গমন রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সব শিল্পকারখানাকে দূষণ কমাতে ইটিপি ব্যবহারে বাধ্য করতে হবে। আমরা যখন বাসা থেকে বের হবো তখন সামাজিক সুরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। কোভিড-১৯ এবং দূষণ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মাস্ক পরা। লোকজনকে বাড়ির বাইরে থাকার সময় মাস্ক পরতে বাধ্য করার জন্য সরকারের উচিত কঠোরভাবে তদারকি করা। বায়ু দূষণের ফলে যেন করোনা প্রকোপ আবার আগের মতো বেড়ে না যায় আমাদেরকে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা মানুষের সচেতনতায় পারে করোনা ভাইরাস দূর করতে। তাছাড়া ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। রা¯তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সুষ্ঠভাবে পরিকল্পনা ও আইনের প্রয়োগ করতে হবে। নির্মাণ সামগ্রী ঢেকে রাখার পাশাপাশি ইট তৈরিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও কম সালফারযুক্ত কয়লার ব্যবহার করতে হবে তাহলেই আমরা বায়ু দূষণের পাশাপাশি করোনা মোকাবেলায় সক্ষম হবো।

নাজমুন্নাহার নিপা : শিক্ষার্থী, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com