ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  বুধবার ● ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ● ১৫ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার   বুধবার ● ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
শিরোনাম: ভারতীয় করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল ও উৎপাদন বাংলাদেশে        পাইকারি বাজারে চালের দাম বেঁধে দিল সরকার       কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আর নেই       দায়িত্ব নিন, চিহ্নিত বেওয়ারিশ কুকুর স্থানান্তর করবো না: তাপস        পাকিস্তান-মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু       সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমসহ ৫ জনের মামলা খারিজ       করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু      
পেঁয়াজের ঝাঁজ কমাতে কাজ করছে তিন মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
Published : Wednesday, 16 September, 2020 at 8:48 PM, Update: 17.09.2020 4:53:23 PM

পেঁয়াজের বাজারে হঠাৎ সৃষ্ট অস্থিরতা দূর করতে একযোগে কাজ করছে বাণিজ্য, অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দাম বাড়ায় সরকার তুরস্ক ও মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ আমদানিতে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের আমদানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে নয়াদিল্লিকে রাজি করানোর জন্য কাজ করে যা। পাশাপাশি যেসব দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করে থাকে তাদের সঙ্গেও কথাবার্তা বলছে। 

এসব পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হবে। তবে পেঁয়াজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভোক্তাদের তিনি সংযমী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী বুধবার অনলাইনে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শুল্ক প্রত্যাহারের ঈঙ্গিত দেন। 

এক মাসে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ভোক্তারা পেঁয়াজ কেনায় সাশ্রয়ী হলে নতুন সরবরাহ আসার এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বুধবার সচিবালয়ে পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী। ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর দুটি কারণে দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে দেশের ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিয়েছে এবং ভোক্তাদের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কেনা। যে দুই কেজি কিনত সে ১০ কেজি কিনছে, তাই হঠাৎ করে বাজারে চাপ পড়েছে।

এ মুহূর্তে দেশে সাড়ে পাঁচ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী জানুয়ারি নাগাদ ১০ লাখ টন লাগবে, ঘাটতি আছে চার লাখ টন। গত কয়েকদিন ধরে অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা এক মাস সময় পেলে তুরস্ক, মিয়ানমার ও চাীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে। এ সময় যদি সহ্য করি, দেশের পেঁয়াজ দিয়ে চালাই, তাহলে সমস্যা হবে না। একটু সহ্য করতে হবে এক মাস।

টিসিবি প্রয়োজনে এক লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করবে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, গতবার যেসব গ্রুপ সহায়তা করেছে তাদের মধ্যে মেঘনা গ্রুপ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে আমদানির বিষয়ে। ভারত থেকে বন্ধ হওয়ার আগেই তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে। মানুষ যেন বেশি করে কেনা বন্ধ করে, এক মাসের মধ্যে অবস্থা স্বাভাবিক করে ফেলব। দেশে এক থেকে দুই মাস চলার মতো পেঁয়াজ রয়েছে, একটুখানি ব্যালেন্স করে চললে বিপদ থেকে পার হতে পারব।

এক মাস পর কত দামে পেঁয়াজ দেওয়া সম্ভব হবে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যদি আপনারা মানুষকে বোঝাতে পারেন ১০ দিন পেঁয়াজ কিনবেন না, আমি কিন্তু কমে খাওয়াতে পারব। যদি বলেন দুই কেজির জায়গায় ১০ কেজি তাহলে আমি কোনো গ্যারান্টি দিতে পারব না। আমি বলছি আমাদের ঘাটতি আছে, এক মাসে আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে কালেক্ট করব, এই একটা মাস একটু সাশ্রয়ী হতে হবে।

গত বছরই একইভাবে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল, এটি বাংলাদেশকে চাপে ফেলার কৌশল কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, গতবারও বন্ধ করেছিল তারা; আগেই তারা মিনিমাম প্রাইস বেঁধে দিয়েছিল, সে সময় ১৫০ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল। সে সময় আমাদের অন্য মার্কেট থেকে ট্রাই করতে দেরি হয়েছিল। গত ১৫ দিন ধরে দেখছিলাম ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। সেই থেকে আমাদের টিম আলোচনা করে টিসিবিকে এলসি খোলার জন্য বলেছে। মনে করেছিলাম তারা বন্ধ করবে না, মিনিমাম প্রাইস দেবে। কিন্তু তারা হঠাৎ করে বন্ধ করে দিল। ভারত থেকে পেঁয়াজ সস্তায় পাওয়া যায়, একই সময়ে তুরস্ক থেকে আনলে ১০ থেকে ১২ টাকা বেশি হয়, বেশি দাম দিয়ে তো আগে আনা যায় না। যখনই দেখেছি পেঁয়াজের দাম ভারতে বাড়ছে, তখনই সঙ্গে সঙ্গে অন্য বাজার থেকে পেঁয়াজ আনার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। ভারতের মনের কথা তো সেপ্টেম্বরে নয়, অক্টোবরে বন্ধ করবে সেটি তো আমরা জানি না, তারা বন্ধ করে দিয়েছে আমরা বিপদে পড়েছি।

ইচ্ছা করলেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করা এবং বাজার তদারকি কেন করা হচ্ছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার সবাই বোঝেন দেশের বাজারে আমদানি করা ৫০ শতাংশ দিয়ে চলে, এটি বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের চাহিদার অর্ধেক বাজারে নেই। আমাদের কাছে যে স্টক আছে তা বেশি দামে বিক্রি করতে চাচ্ছে। লাখ লাখ রিটেইলার ভোক্তা অধিকার কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে, যখনই চাপ দেই তারা পেঁয়াজ হাওয়া করে দেয়, দোকান বন্ধ করে দেয়। জরিমানা করলেও তারা সুযোগটা নেয়। রিটেইলে যে যার মতো বিক্রি করে।

ভোক্তাদের অস্থির না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন জনগণ একটি সিন্ডিকেট করতে পারে না যে ১০ দিন পেঁয়াজ খাব না। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার যে পেঁয়াজওয়ালারা সুযোগ নিচ্ছে, ১০ দিন কিন্তু পেঁয়াজ ধরে রাখতে পারবে না, পচে যাবে। সবদিকে আমরা চেষ্টা করছি, ভোক্তাদের চেতনাকে বাড়াতে হবে। গত মঙ্গলবার প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুল্ক কমানোর বিয়ষটি বিবেচনাধীন: অর্থমন্ত্রী
পেঁয়াজ আমদানিতে পাঁচ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আমাদের হাতে যেটি আছে তাতে যদি রাজস্ব খাতে কোনো কিছু করার থাকে অবশ্যই ছাড় দেওয়া হবে। অতীতেও বিবেচনা করা হয়েছে এখনো বিবেচনা করা হবে। 
বুধবার অনলাইনে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির বন্ধের খবরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, এ পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছে পেঁয়াজের ওপর আমদানি শুল্ক পাঁচ শতাংশ কমানোর জন্য। এক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেবেন জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগণের দুর্দশা বাড়ুক এটি আমরা চাই না। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আমরা কেউই এ প্রত্যাশা করি না। আমাদের হাতে যেটা আছে। যদি রাজস্ব খাতে কোনো কিছু করার থাকে অবশ্যই করা হবে। অতীতেও বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে এখনো বিবেচনা করা হবে। 

অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবেন জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখানে আমার একটু অংশ ছিল। যদি কোনো কারণে রাজস্ব বাড়িয়ে দেই, সে কারণে যদি দাম বাড়ে সেটার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় দায়ী। আর বাকি অংশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ। আমার মনে হয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে দেখাশুনা করছে। অতীতেও সমস্যা হয়েছিল পড়ে তা সমাধান হয়েছে। আর ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে আমার কিছু বলা লাগবে না। এখন যে আলোচনা হয়েছে তাই পরিষ্কার মেসেজ।

এডিবি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এডিবি তো সারা বছরই কাজ করে। আর আমরা করি বছরে একবার। তারা বছরে একাধিকবার করে। তারা আমাদের সম্পর্কে খারাপ বলেনি ভালোই বলেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি। তারা বলেছে আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছয় দশমিক আট হবে। এডিবি তাদের ওভারভিউতে বলেছে, বাংলাদেশ ধীরে হলেও শুরু করেছে। আমরা ধীরে হলেও এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের যেতে হবে অনেক দূর। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সে কাজটি করবো। আমরা পাঁচ দশমিক দুই গত বছর বলেছিলাম। সেটা আমরা পাঁচ দশমিক ২৪ অর্জন করেছি। এ বছর আমাদের আশা গত বছর আমরা যেটা করতে পারিনি আট দশমিক দুই শতাংশ। তবে এ বছর আমাদের আশা বাজেটে যে প্রাক্কলন করা হয়েছে সেটা অর্জন করতে পারব। সে স্বপ্নপূরণ করতে আমরা কাজ করছি। দেশের সব মানুষ তাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়ে এ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা ছয় দশমিক আট শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি যদি করতে পারি তাহলে আমরা সাউথ এশিয়া না সাউথ ইস্ট এশিয়ার সব দেশের মধ্যে আমরা তিন নম্বরে থাকব। আর গত বছর যেটা ছিল পাঁচ দশমিক ২৪ সেটিও এ অঞ্চলের মধ্যে সবার উপরে। এখন এ বছরও ছয় দশমিক আট সেটা বিবেচনা করেন তাহলে আমাদের ওপরে থাকে মাত্র ভারত আর চীন। আমি মনে করি, আমরা ভালোভাবে এগোচ্ছি। এটি আমাদের জন্য কম অর্জন নয়।

তুরস্ক, মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
দেশের বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে একাধিক দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে এরই মধ্যে তুরস্ক ও মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আমদানি করা পেঁয়াজের চালান আগামী মাসের শুরুর দিকে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি নিরবচ্ছিন্ন রাখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পেঁয়াজ রপ্তানিতে ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য দিল্লিকে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। এ বিষয়ে শিগগিরই বাংলাদেশ ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানার পরপরই নয়াদিল্লিতে থাকা বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভারত বাংলাদেশকে অবহিত করবে এমন একটি অলিখিত সমঝোতা আছে।
একই বিষয়ে ভারত আগে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরে এ রকমই কথা হয়েছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

আজকালের খবর/এএইস




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
দৈনিক আজকালের খবর লিমিটেডের পক্ষে গোলাম মোস্তফা কর্তৃক বাড়ি নং-৫৯, রোড নং-২৭, ব্লক-কে, বনানী, ঢাকা-১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও সোনালী প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড (২/১/এ আরামবাগ), ইডেন কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.com, www.eajkalerkhobor.com