বিশ্বাসঘাতক
আবুল কালাম আজাদ
প্রকাশ: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৩২ পিএম
নিজাম অনুমান করতে লাগলো কতক্ষণ ধরে তার চোখ বাঁধা। চার-পাঁচ ঘণ্টা তো হবেই। নিশ্চয় এখন রাত আটটা কি ৯টা বেজে গেছে। চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ মিনিট সে ছিল একটা গাড়িতে। যতদূর সম্ভব সেটা ছিল একটা মাইক্রোবাস। তাকে চোখ বেঁধে তুলেছিল বলে গাড়িটাকে দেখতে পায়নি। তারপর থেকে বসে আছে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এই চেয়ারে। সে যে একটা ঘরের মধ্যে আছে তা বুঝতে পারছে। 
কে যেন ঘাড়ের পেছনে হাত দিল। মনে হল চোখের বাঁধন খুলবে। নিজাম একটু সস্তি পেল। এতক্ষণ পর তাহলে পৃথিবীর আলো দেখতে পাবে। চোখের কালো কাপড়ের বাঁধনটা খুলে গেল। কিন্তু না, কোনো আলো দেখতে পেল না সে। তার চারপাশে অন্ধকার। গাঢ় অন্ধকার। যে তার চোখের বাঁধন খুলল নিজাম তাকেও দেখতে পেল না। নিজাম বলল-আমি কোথায়? কেন আমাকে ধরে এনেছেন তা বলবেন কি? 
কেউ এ প্রশ্নের জবাব দিল না। নিজাম তার পেছন দিয়ে একজন মানুষের চলে যাবার পায়ের শব্দ পেল। কিন্তু সে সাহস পেল না ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনে তাকাতে। সে পেছনের দরজা ভেজানো এবং তালা বন্ধ করার শব্দও পেল। 
তাহলে সে ঘরের মধ্যেই আছে। এত অন্ধকার কোনো ঘর হয়? কবরের মতো অন্ধকার। নিজাম হাত-পা একটু নাড়ার চেষ্টা করল। কিন্তু পারল না। মোটা নাইলনের দড়ি দিয়ে ভীষণ শক্ত করে তার হাত-পা চেয়ারের সাথে বাঁধা। হাত-পা যেন কেটে যাচ্ছে। রগের মধ্যে চিনচিন করে ব্যথা করছে। হয়ত অল্প সময়ের মধ্যে তার হাত-পায়ের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। হাত-পা অবশ হয়ে যাবে। অনেক্ষণ ধরে হাত-পা ঝিঁ ঝিঁ ধরে ছিল। এখনও আছে ব্যাপারটা। 
প্রায় ত্রিশ মিনিট পর দরজায় আবার তালা খোলার শব্দ। তারপর ক্যাঁক্যাঁচ শব্দ করে দরজা খুলে গেল। হঠাৎ নিজামের মাথার ওপর আলো জ্বলে উঠল। তীব্র আলো। সে আলোতে তার চোখ ধাঁধিয়ে গেল। প্রথমে সে তাকাতেই পারছিল না। সে দু’হাতে চোখ ঘষলো কয়েক মিনিট। তারপর ঘাড় না ঘুরিয়ে শুধু চোখ ঘুরিয়ে ঘরটার যতটুকু দেখা যায় দেখে নিল। তার মনে হল এটা পুলিশের কোনো টর্চার সেল। সে টিভি নাটকে এরকম টর্চার সেল দেখেছে। তবে কি তাকে পুলিশ ধরেছে? তাকে পুলিশ ধরবে কেন? পুলিশ ধরার মতো কোনো অপরাধ সে কখনোই করেনি। তার বন্ধু কমলকে সে খুন করতে চেয়েছে, এ জন্য একজন পেশাদার খুনিকে সে টাকাও দিয়েছে। কিন্তু কমল তো এখনো খুন হয়নি। কমল সে ব্যাপারটা জেনেছে তাও নয়। উপরন্তু সে কাল কমলকে দু’জন ছিনতাইকারীর হাত থেকে রক্ষা করেছে। সে একাই দু’জন ছিনতাইকারীকে জাপটে ধরে পুলিশে দিয়েছে। তাহলে তাকে পুলিশে ধরবে কেন? অন্য কেউ যে শত্রুতার বশে তাকে ধরবে তাও নয়। অন্য কারো সঙ্গে তার সামান্যতম শত্রুতাও নেই। 
আচানক সারা ঘর ভরে গেল আতরের গন্ধে। তারপরই নিজামের সামনে এসে দাঁড়ালো বড় ভাই। পরনে সেই ফিনফিনে সাদা পাঞ্জাবি। পায়ে কারুকাজশোভিত নাগরা জুতা। পাট করা চুল। ক্লিন সেভ। বড় ভাইকে দেখে নিজাম কিছুটা সাহস পেল মনে। যেরকম জীবন নাশের আশঙ্কা করেছিল, হয়তো তা হবে না। সে-ই প্রথম কথা বললো। বলল-বড় ভাই, তাহলে আপনার লোকজন আমাকে ধরে এনেছে?
-হ্যাঁ, আমার লোকজন। আমিই ওদের দিয়ে আপনাকে ধরে এনেছি।
-কিন্তু কেন বড় ভাই?
-আপনি আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন যে, সেই বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি দিতে।
-বিশ্বাসঘাতকতা! আপনার সঙ্গে? কী বলছেন বড় ভাই? 
-ভাজা মাছ উল্টে খেতে শেখেননি মনে হচ্ছে?
-বিশ্বাস করেন বড় ভাই, আপনার সঙ্গে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারি না। 
-আমাকে টাকা দিয়ে গেলেন আপনার বন্ধু কমলকে ফিনিশ করে দেবার জন্য। সে কথা মনে আছে তো?
-তা মনে থাকবে না কেন? ত্রিশ হাজার টাকা দিয়েছি, কাজ শেষ হলে আরো সত্তুর হাজার দিব। এখানে তো বিশ্বাসঘাতকতার কিছু নেই।
-আপনার ডার্লিং নায়লা আপনার সঙ্গে ঘুরতে বের হয়ে আপনার বন্ধু কমলের প্রশংসা করে। সে ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট। রাজ্যের বই পড়ে। ছবি আঁকে। কবিতা লেখে। পত্রিকায় আর্টিকেল লেখে। এসব শুনলে আপনার গায়ে জ্বালা ধরে যায়। যে বন্ধুর সাহায্য ছাড়া আপনি পরীক্ষায় পাস করতে পারেন না, সেই বন্ধুকে আপনি শেষ করে দেবার পরিকল্পনা করলেন। বন্ধুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। সেটা কোনো বিষয় না। ফ্রেন্ড ইজ নাথিং বাট এ্যা নেম। কিন্তু আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন কোন সাহসে? মন্ত্রী-মিনিস্টাররা পর্যন্ত আমি বিরক্ত হই এমন কিছু করে না, আর আপনি একটা চুনোপুটি হয়ে...।
-বড় ভাই, আমি আমার বন্ধুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি তা ঠিক। তবে আপনার সাথে আমি বিশ্বাসঘাতকতার কিছু করিনি। 
-তাহলে পরে বুঝতে পেরেছিলেন যে, ডার্লিংয়ের জন্য নের্দোষ একটা মানুষকে খুন করা অন্যায়। আর এই বোধ থেকেই...।
-বড় ভাই, আমি এখনও চাই কমলকে খুন করা হোক। 
-তাহলে গতকাল আমার লোকদের জাপটে তরে পুলিশে দিলেন কেন? 
নিজামের শরীর দিয়ে ঘাম বেরিয়ে গেল। সে বুঝতে পারল ভুল করে সে কি বিপজ্জনক কাজ করে ফেলেছে। কিন্তু ভয়ে খাবি খেয়ে গেলে চলবে না। বড় ভাইকে সত্যটা বোঝাতে হবে। আত্মরক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। সে বলল-বড় ভাই বিশ্বাস করেন, তারা যে আপনার লোক আমি তা বুঝতে পারিনি। আমি কমলের সাথে রিকশায় বসে ছিলাম। কমলের কাছে তখন কিছুই ছিল না। এমনকি মোবাইল ফোনও না। আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিল, দামি একটা মোবাইল ফোন ছিল। আমি তাদেরকে সাধারণ ছিনতাইকারীই ভেবেছেলিাম। তাই তো...। 
-তারা কি আপনার কাছে গিয়েছিল? তারা তো কমলকেই টানাটানি করছিল।
-তা ঠিক, তারা আমার কাছে যায়নি। আমি ভেবেছিলাম যখন তারা কমলের কাছে কিছু পাবে না তখন আমার কাছেই আসবে। 
-ভেজা বেড়াল সেজে কোনো লাভ হবে না। আমি হাওয়া খেয়ে বড় ভাই হই নাই, গাঞ্জা সেবন করে বড় ভাই হয়েছি। দিনে কয় পেক গাঞ্জা খাই জানেন?
-বড় ভাই, আমি যা বলছি তা এক রত্তিও মিথ্যা নয়। আসলে দুই মাস আগে আপনার সাথে আমার চুক্তি হয়েছিল। ব্যাপারটা সেভাবে আমার মাথায় ছিল না।
-চুক্তির সময় তো বলেছিলাম, তিন মাসের মধ্যে কাজ করবো। নাকি বলি নাই?
-তা বলেছিলেন। কিন্তু মানুষের কি ভুল হতে পারে না?
-ভুলের জন্য ক্ষমা আছে, কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতার জন্য কোনো ক্ষমা নাই। কোনো না কোনোভাবে তাদের শাস্তি হয়ে যায়। 
-আপনার লোকজন এমন সময় কমলকে আক্রমন করল যখন আমি কমলের সঙ্গে আছি।
-আমি যদি বলি আপনি ইচ্ছা করেই কমলকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন। আপনি জানতেন, আমার লোক আপনাকে আক্রমন করবে না। সেই সুযোগে আপনি ওদের ধরে পুলিশে দেবেন। আমাকে ফাঁসাবেন।
-বড় ভাই, এটা আপনার অসম্ভব কথা। আপনার লোক কখন কমলকে আক্রমণ করবে তা জানা আমার পক্ষে কিছুতেই সম্ভব ছিল না। সামনে সপ্তাহে আমার একটা পরীক্ষা আছে। আমি কমলের সাথে ওর বাসায় যাচ্ছিলাম নোট আনতে।
-আচ্ছা মানলাম আপনার কথা। কিন্তু যখন আপনি ধস্তাধস্তি করছিলেন তারপরও ছিনতাইকারীরা কাছে মেশিন থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার করছিল না, তখন তো আপনার কিছু বুঝতে পারা উচিত ছিল। 
-বড় ভাই, তখন কিছু মনে করার মতো সময় ছিল না।
-ল্যাংড়া অজুহাত দিয়ে লাভ নাই। শোনেন, পুলিশ আমার লোকদের রিমান্ডে নিয়েছে। মেশিন দুইটা সিজ করেছে। ওদেরকে প্যাঁদানী দিয়ে বের করেছে ওরা আমার লোক। তার মানে এই না যে, ওরা আমার সব বাল ফেলে দেবে। আমি হলাম বড় ভাই। বড় ভাইয়ের ওপরে লাটভাই আছে, জানেন? অলরেডি সেই লাটভাইয়েরা ফোন করেছে। কাল-পরশু ওরা ছাড়া পাবে। মধ্যে থেকে আমি সেই লাট ভাইদের কাছে কিছুটা আটকে রইলাম। তাদের অনেক কাজ আমাকে ফাঁও করতে হবে। আমার বেশ কিছু টাকাও গেল। তাই ওরা ছাড়া পেলেও আপনি ছাড়া পাবেন না। 
-বড় ভাই, আপনার যত টাকা গেছে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি আমি আপনাকে দেব। বলুন কত দিলে চলবে। আপনি তো জানেন আমি বড়লোকের ছেলে। 
-বিশ্বাসঘাতকদের সাথে আমি কোনো লেনদেন করি না। আমি বিশ্বাসঘাতকদের শুধু তার প্রাপ্য মিটিয়ে দেই। 
বড় ভাই পকেট থেকে একটা পিস্তল বের করল। ঘরের তীব্র আলোতে কালো রঙের পিস্তলটা চকচক করে উঠল। বড় ভাই পিস্তলটা আঙুলে ঘোরাতে ঘোরাতে নিজামের কাছে এল। বলল- মি. নিজাম, আপনার কী খেতে ইচ্ছা করছে বলুন। আপনার যা খেতে ইচ্ছা করবে আমি তা খাওয়াব। 
নিজাম মরা মাছের চোখের মতো ফ্যাকাশে চোখে তাকাল বড় ভাইয়ের মুখে। বলল-বড় ভাই, আমি আম খাবো। পাকা টুকটুকে একটা আম আমি নিজ হাতে ছুড়ি দিয়ে কেটে খাবো। অথবা কাঁচা আম। কেটে কেটে লবণ দিয়ে খাব। ঠিক শৈশবে গ্রামের বাড়িতে যেভাবে আম খেতাম।
-আম খাবেন? এই মাঘ মাসে আপনাকে পাকা আম খাওয়াব কেমন করে? অন্য কিছু বলেন।
-তাহলে কাঁঠাল খাব। কাঁঠলের বড় বড় মিষ্টি কোয়া আমি কামড়ে কামড়ে খাব। আমার হাত বেয়ে, গাল বেয়ে রস পড়বে টস টস করে।
-আম-কাঁঠাল তো একই সিজনের ফল। ওগুলো এখন পাওয়া যাবে না। অন্য কিছু বলেন।
-তাহলে লিচু খাব। রাজশাহীর লিচু। লাল টকটকে অথবা হলুদ। খোসা ছাড়িয়ে...।
-আপনি তো ঘুরে-ফিরে একই সিজনের ফল বলছেন। ফলের মধ্যে এখন আপনাকে বড়ই খাওয়ানো যেতে পারে, খাবেন? এছাড়া পোলাও, মাংস, মুরগির গ্রীল, নানরুটি, বিরিয়ানি খাওয়ানো যেতে পারে। চাইনিজ খেতে চাইলে তাও দেয়া যেতে পারে। ফ্রাইট রাইস, সাথে চিকেন ফ্রাই, চিকেন সালাদ, কারি বলেন...।
-না বড় ভাই, এসব এখন আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।
-তাহলে আর কী, স্বর্গে চলে যান। স্বর্গে সবসময় সবকিছু পাওয়া যায়। মাঘ মাসে পাকা আম, কিংবা জ্যৈষ্ঠ মাসে পাকা বড়ই। ইচ্ছা মতো অর্ডার করে খাবেন। সেখানে সব গাছেই বারো মাস ফল দেয়। 
পরপর দু’টো গুলি। একটা বুকের ডান পাশে, আরেকটা বাম পাশে। গুলির তোড়ে নিজাম শূন্যে উঠে যেতো, যদি না দড়ি দিয়ে সে চেয়ারের সাথে বাঁধা থাকতো। নিজাম ঘাড় বাঁকা করে তাকালো মাথার ওপরে ভাল্বের দিকে। তীব্র আলোর দিকে তাকিয়ে থাকতে তার ভালো লাগছিল। সে তাকিয়ে রইল। কিছুক্ষণের মধ্যে আলোর তীব্রতা কমতে লাগলো। আবছা অন্ধকার গ্রাস করতে লাগলো নিজামের দৃষ্টিকে। সেই আবছা আলোর মধ্যে তার সামনে এসে দাঁড়ালো কমল। কমল বলল-নিজাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই তোর সাথে আমার বন্ধুত্ব। আমি ডিপার্টমেন্টের সেরা ছাত্র। তুই ভালো ছাত্র ছিলি না কখনোই। কিন্তু আমার ভেতর এতটুকু অহংকার জাগেনি। লেখাপড়ার ব্যাপারে সব রকম সাহায্য তোকে আমি করেছি। প্রতিদানে কিছুই চাইনি। বন্ধুত্বের কোনো প্রতিদান হয় না। নায়লা আমার প্রশংসা করতো তা আমি জানতাম। কিন্তু আমি তো নায়লার সাথে কোনোদিন একটা কথাও বলিনি-বলতামও না কোনোদিন। তোর ভালোবাসার পথে সামান্যতম কাঁটাও আমি হতাম না। অথচ...! আমাকে খুন করার জন্য লোক ভাড়া করলি!
নিজাম কমলকে বলতে চাইল-কমল, তুই আমাকে ক্ষমা করে দিস...। কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা করেও সে কোনো শব্দ উচ্চারণ করতে পারলো না মুখে। তার দৃষ্টি জুড়ে নেমে এল গভীর অন্ধকার। 

আজকালের খবর/আরইউ








সর্বশেষ সংবাদ
বন্ধ ৯ কারখানা খুলছে এস আলম গ্রুপ
মোহনগঞ্জে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়
দীর্ঘতম সৈকতে হাজারো মানুষ দেখলো বছরের শেষ সূর্যাস্ত
যেসব দাবি জানালেন চব্বিশের বিপ্লবীরা
দাম কমল ডিজেল-কেরোসিনের
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
বাণিজ্য মেলায় ই–টিকেটিং সেবা চালু
শহীদ রুবেলের নবজাতক শিশু পুত্রকে দেখতে গেলেন ইউএনও
দুই সচিব ওএসডি
ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান
ইসকনের ২০২ অ্যাকাউন্টে ২৩৬ কোটি টাকা
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft