রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
তিস্তা অববাহিকার পুনরুজ্জীবনে কাজ করতে হবে
রায়হান আহমেদ তপাদার
প্রকাশ: রবিবার, ২ জুন, ২০২৪, ৮:১৪ PM
ভারত ও বাংলাদেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে কয়েক বছর ধরে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ৪৯ বছর আগে ১৯৭৪ সালে তিস্তা প্রকল্প শুরু হয়। প্রায় এক দশক পর ১৯৮৩ সালে একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তিস্তার পানির ৩৯ শতাংশ ভারত এবং ৩৬ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে। ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ের জন্য ৪২ দশমিক পাঁচ শতাংশ পানি ধরে রেখে ভারত ২০১১ সালে বাংলাদেশকে ৩৭ দশমিক পাঁচ শতাংশ পানি দিতে সম্মত হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার আসার পর বিষয়টি ঝুলে যায়। বিশেষ করে মমতা সরকারের বিরোধিতার কারণে চুক্তিটি হয়নি। তখন থেকে তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একধরনের অস্বস্তি আছে। এই অস্বস্তি কখনো কমেছে, আবার কখনো বেড়েছে। 

যতই দিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছে, দুই পক্ষের আন্তরিক চেষ্টা সত্ত্বেও এই চুক্তি কোনো দিনই হবে না। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রসচিবের দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ সফরকালে আবার তিস্তা প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে। তার সফরের আগে ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে তিস্তা নিয়ে চীনের প্রকল্প ভারতের জন্য উদ্বেগের। কারণ, এটি কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর কাছাকাছি। এই প্রকল্পের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে আরো লক্ষ করা হয় যে ভারত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে; যা নদী-সম্পর্কিত কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ নিয়ে ঢাকার অধৈর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে এমনটি প্রতীয়মান হচ্ছে, তিস্তা বিষয়ক চীনা প্রকল্প থেকে বাংলাদেশকে বিরত করাই সচিবের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল। বস্তুত সফরকালে ভারতের সচিব ভারত কর্তৃক তিস্তা প্রকল্পের অর্থায়নের প্রস্তাব করেছেন।

একে বলা যেতে পারে চীনকে বাদ দিয়ে চীনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাব। তিস্তা বিষয়ে পাওয়ার-চায়না কর্তৃক প্রণীত একটি পরিকল্পনার কথা ২০১৬ সাল থেকে শোনা যাচ্ছিল। সে বছর চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিন পিংয়ের ঢাকা সফরের আগে পাওয়ার-চায়না বাংলাদেশের সব বৃহৎ নদ-নদীকে অন্তর্ভুক্ত করে নদ-নদীর স্থায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে। সূচনায় এই কর্মসূচি যমুনা নদীকে কেন্দ্র করে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুরোধক্রমে এতে তিস্তা নদীকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পাওয়ার-চায়না প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বাজেটের তিস্তা নদী সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প প্রণয়ন করে। প্রথম থেকেই এই প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কড়া গোপনীয়তার নীতি গ্রহণ করেছে বলে প্রতীয়মান হয়। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সরকার এ ধরনের প্রকল্পের ঋণ নেয় এবং কোনো না কোনোভাবে জনগণকেই এই ঋণ পরিশোধ করতে হয়। তাহলে জনগণ কেন এই প্রকল্প সম্পর্কে জানতে এবং মতামত প্রকাশ করতে পারবে না, তা বোধগম্য নয়।

ব্যাপারটি আরো পরিহাসমূলক এ কারণে যে পাওয়ার-চায়না এই প্রকল্প নিয়ে ভিডিও তৈরি করেছে এবং ইউটিউবের মাধ্যমে তা বিশ্বব্যাপী প্রচার করছে। ফলে বাংলাদেশের জনগণ নিজের দেশের একটি প্রকল্প সম্পর্কে নিজেদের সরকারের কাছ থেকে জানার পরিবর্তে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে জানতে পেরেছে। এরপরও বাংলাদেশের অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকেরা এই প্রকল্প সম্পর্কে কিছু তথ্য, যেমন প্রকল্পের প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) সংগ্রহ করতে পেরেছেন। প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব এবং পাওয়ার-চায়না’র ভিডিওসহ অন্যান্য সূত্রের তথ্যের আলোকে এখন এই প্রকল্প সম্পর্কে মোটামুটি একটি ধারণা আমরা পেয়েছি।

তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণা থেকে আমরা দেখি যে চীনা প্রকল্পের মূল প্রস্তাব হলো, তিস্তা নদীর গড় প্রশস্ততা বর্তমানের প্রায় তিন কিলোমিটার থেকে শূন্য দশমিক ৮১৬ মিটারে হ্রাস করা। এর ফলে নদীগর্ভের প্রায় ১৭১ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে এবং তা নগরায়ণ, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন, কৃষি উন্নয়ন এবং জনবসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। প্রকল্পে আরো বলা হয়, খননের মাধ্যমে তিস্তার গভীরতা বর্তমানের পাঁচ মিটার থেকে ১০ মিটারে বর্ধিত করা হবে। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে তিস্তার নাব্য বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পে আরো আছে বেশ কিছু জেটি, বন্দর ও সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব। নাম থেকেই স্পষ্ট যে পাওয়ার-চায়না কোম্পানির মূল কাজের জায়গা হলো বিদ্যুৎ উৎপাদন। দেশের একাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ঠিকাদার হিসেবে এই কোম্পানি কাজ করছে। নদ-নদী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এই কোম্পানি কবে, কীভাবে ও কতখানি পারদর্শিতা অর্জন করেছে, তা স্পষ্ট নয়। 

যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, পানি ও পলিপ্রবাহের বিপুল পরিমাণ ও চরম ঋতুভেদের কারণে দেশের নদ-নদীর সঙ্গে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের নদ-নদীর তুলনা হয় না। বিষয়টি বুঝতে না পারার কারণেই ১৯৬৪ সালে সান ফ্রান্সিসকোয় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (আইইসি) কর্তৃক প্রণীত এবং দেশের সরকারগুলো কর্তৃক অনুসৃত মাস্টারপ্ল্যানটি দেশের নদ-নদীর উপকারের পরিবর্তে সমূহ ক্ষতি সাধন করেছে। হুয়াং হো নদীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে চীন মধ্যযুগ থেকে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এই নদীর বার্ষিক পানি প্রবাহের পরিমাণ মাত্র ৫৬ কিউবিক কিলোমিটার। এটা ব্রহ্মপুত্র নদের প্রায় এক-দশমাংশ এবং গঙ্গার এক-সপ্তমাংশ। তদুপরি চীনের নদীর ঋতুভেদও দেশের সঙ্গে তুলনীয় নয়। এর ফলে দেশের নদ-নদীর ব্যবস্থাপনায় পশ্চিমের দেশগুলো যেমন, তেমনি চীনের অভিজ্ঞতাও প্রাসঙ্গিক ও যথাযথ নয়।

এ রকম পটভূমিতে এটি খুব আশ্চর্যের নয় যে পাওয়ার-চায়না তিস্তা নদীর জন্য একটি আশঙ্কাজনক প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। স্পষ্টতই নদীর প্রস্থ এক-চতুর্থাংশ করে গভীরতা দ্বিগুণ করলেও নদীর প্রস্থচ্ছেদ অর্ধেক হবে এবং প্রবাহের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলে গতিবেগ দ্বিগুণ হবে। ফলে তিস্তার বালুময় অববাহিকায় পাড়ভাঙন তীব্রতর হবে এবং নদীতীরে নির্মিত বাঁধ টিকতে পারবে না। তিস্তা প্রতিবছর প্রায় পাঁচ কোটি টন পলি নিয়ে আসে। ফলে পলি ভরণের কারণে খননের মাধ্যমে তিস্তার গভীরতা বৃদ্ধি দ্রুতই হ্রাস পাবে। তখন পাড়ভাঙনের সমস্যা আরো তীব্র হবে। তদুপরি মারাত্মকভাবে হ্রাসকৃত প্রস্থচ্ছেদ নিয়ে তিস্তার পক্ষে বর্ষাকালের ও হড়কা বন্যার অতিরিক্ত প্রবাহ ধারণ করা আরো কঠিন হয়ে পড়বে। মূল কথা হচ্ছে, পাওয়ার-চায়না’র তিস্তা প্রকল্প তিস্তা নদীর সমস্যাগুলোর কোনো স্থায়িত্বশীল সমাধান দেবে না। এ রকম অবস্থায় চীনের এই প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হওয়ার বাংলাদেশের পক্ষে সমীচীন হবে না। 

এই পটভূমিতে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব কর্তৃক তিস্তার প্রবাহ বৃদ্ধির পরিবর্তে তিস্তাবিষয়ক প্রকল্পের অর্থায়নের প্রস্তাব নিয়ে আসাটা আরেক রকম পরিহাস। চীন কিংবা ভারত কারো ঋণ নিয়েই এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রসর হওয়া বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে ভালো কোনো ফল বয়ে আনবে না। এ বিষয়টি মনে রাখা উচিত যে নির্বিচার ঋণ নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ বাংলাদেশের জন্য শেষ হয়ে এসেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের পুঞ্জীভূত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে এবং বার্ষিক বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায় প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগামী দুই-এক বছরের মধ্যে যখন রূপপুরসহ আরো কিছু প্রকল্পের ঋণ বাবদ দায় যোগ হবে, তখন এই দায় যথেষ্ট বেড়ে যাবে এবং সংকটের সৃষ্টি করতে পারে। বৈদেশিক দায় পরিশোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আইএমএফের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, এশীয় অবকাঠামো ব্যাংক ইত্যাদির কাছ থেকে আরো দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ঋণ নিয়ে ঋণ পরিশোধের মতো এ রকম আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে পাওয়ার-চায়নার প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প যত তাড়াতাড়ি বাতিল করা যায়, ততই ভালো। ভারত যদি সত্যিই তিস্তা বিষয়ে বাংলাদেশের ভালো করতে চায়, তাহলে তিস্তা থেকে গাজলডোবা বাঁধের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমের পানি অপসারণ বন্ধ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজি হচ্ছে না বলে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কিছু করতে পারছে না-এই অজুহাতের পেছনে আড়াল খোঁজার সুযোগ কম। 

গাজলডোবা বাঁধসহ তিস্তার উজানে আরো নির্মিত, নির্মীয়মাণ এবং পরিকল্পিত ১৫টি প্রবাহ বাধা দান এবং অপসারণমূলক কাঠামোগুলো-সবই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প। তিস্তার উপর নির্মিত গাজলডোবা এবং অন্যান্য ব্যারাজ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের জন্য আরেক ফল হয়েছে হড়কা-বন্যা। এমনিতেই তিস্তা একটি হড়কা-বন্যাপ্রবণ নদী। এখন গাজলডোবা ব্যারাজ পরিচালনাকারীরা তাদের সুবিধামতো সময়ে ব্যারাজের কপাট খুলে দেয়। এর ফলে বাংলাদেশের তিস্তা অববাহিকা হড়কা বন্যাকবলিত হয়। বিগত বছরে প্রায় সাতবার এ ধরনের হড়কা-বন্যা হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা অববাহিকার মানুষদের জন্য ভারতের এই আচরণ মোটেও কাম্য নয়। পর্যাপ্তসংখ্যক দেশের স্বাক্ষরের ফলে আন্তর্জাতিক নদ-নদীর ব্যবহারবিষয়ক ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘের সনদ এখন কার্যকর হয়েছে। এই সনদের অংশীদার দেশগুলোকে অভিন্ন নদ-নদীর ব্যবহারে কী কী নীতি অনুসরণ করতে হবে, তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। এই সনদ ভাটির দেশগুলোর অধিকারের সুরক্ষা দিয়েছে। বাংলাদেশের উচিত নিজে এই সনদে স্বাক্ষর করা এবং ভারতকেও তা স্বাক্ষর করতে আহ্বান জানানো।

লক্ষণীয় যে নদ-নদীর ওপর স্বীয় অধিকার আদায়ে শুধু সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে ভারত যেমন তার ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিচ্ছে, তেমনি বাংলাদেশকেও অনুরূপ সুযোগ গ্রহণ করার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক ২০১৩ সাল থেকে সরকারের প্রতি নদীর বিনিময়ে ট্রানজিট নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছিল। পরিতাপের বিষয়, সরকার তা গ্রহণ করেনি; বরং বিনা প্রতিদানে ভারতকে ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট, বন্দর, নৌপথ ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। ফলে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের দাবি আদায়ের সুযোগ হ্রাস পেয়েছে। তা সত্ত্বেও ভারতের কাছ থেকে অভিন্ন নদ-নদীর ওপর জাতিসংঘের ১৯৯৭ সনদ দ্বারা স্বীকৃত বাংলাদেশের অধিকার আদায়ের সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। এবং বিদেশি অর্থায়ন, পরামর্শ ও তথাকথিত পারদর্শিতা ইত্যাদির পেছনে না ছুটে দেশের অবস্থার জন্য উপযোগী, দেশীয় পারদর্শিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে তিস্তা অববাহিকার পুনরুজ্জীবনে এগিয়ে যেতে হবে। ভারতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থায় তথ্য প্রকাশ্যে এনে দুই দেশের মানুষকে বিতর্কের সুযোগ করে দেওয়াই বাস্তবসম্মত। কারণ, অন্য দেশটি যে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় বন্ধু বাংলাদেশ। এই প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে তিস্তা নিয়ে অন্তত কূটনৈতিক অস্বস্তি এড়াতে পারবে দুই দেশ। এর বাইরে গিয়ে তিস্তা নিয়ে আরো আলাপ-আলোচনা অযথা সময় নষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

লেখক : প্রবাসী, গবেষক ও কলাম লেখক।

আজকালের খবর/আরইউ








সর্বশেষ সংবাদ
আগুনের পর বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ
সিলেটে বিএনপি নেতা কয়েস লোদী গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ৪০
‘শিক্ষার্থীদের ঘাড়ে বিএনপি-জামায়াত, নাশকতার নির্দেশ তারেকের’
আন্দোলন স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে চলে গেছে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
ফের দি‌ল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ঈদের পর নতুন সূচিতে চলবে মেট্রোরেল
ফেনীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যবসায়ীর দুটি গরু লুট
বিশ্বনাথে বাস-লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
শাকিব খান নয়, চ্যালেঞ্জটা নিজের সঙ্গে: মুন্না খান
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft