শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ধরার কাজে স্থবিরতা
কর্মকর্তারা পরিদর্শন না করে অফিসে খোশগল্প করে সময় কাটান
নূরুজ্জামান মামুন
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৩, ৮:৩৫ PM আপডেট: ১৮.০৮.২০২৩ ৮:৪১ PM
সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম, দুর্নীতি, জাল সদন শনাক্ত করার দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। করোনা মহামারির আগে প্রতিষ্ঠানটিতে জনবল কম থাকলেও বেশি সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে অনিয়ম, দুর্নীতি শনাক্ত বেশি হয়েছিল। কিন্তু করোনা পরবর্তী পূর্ণ জনবল কর্মরত থাকলেও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি কম ধরা পড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, ডিআইএ’র কর্মকর্তারা অফিসের কাজ না করে সারা দিন ব্যাচমেটদের সঙ্গে আড্ডা, তদবির, পদোন্নতি, পদায়ন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। যে কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি শনাক্তে ভাটা পড়েছে। তবে ডিআইএ কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সংখ্যা কমলেও সঠিকভাবে প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। এর ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে।  

জানতে চাইলে ডিআইএ’র পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর আজকালের খবরকে বলেন, আগে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সংখ্যা বেশি হলেও রিপোর্ট তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার সংখ্যা ছিল কম। আমি যোগদানের সময় ১২ হাজার প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন প্রতিবেদন পেন্ডিং ছিল। এখন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও প্রতিবেদন পেন্ডিং থাকছে না। তিনি আরো বলেন, এখন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেদন তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে। আমরা সংখ্যার চেয়ে মানসম্মত প্রতিবেদন তৈরি করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছি। ডিআইএ’র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ছয় শতধিক জাল সনদধারী শিক্ষকের এমপিও বাতিল করেছে মন্ত্রণালয়।  

ডিআইএ’র তথ্যানুযায়ী, ২০১৬-২০১৭, ২০১৭-২০১৮ ও ২০১৮-২০১৯ তিন অর্থ বছরে এই দপ্তরের ৫৪ জন কর্মকর্তা গড়ে ১৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিট করেছেন। আগের চেয়ে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়লেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিটের সংখ্যা বাড়েনি। একজন কর্মকর্তার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের গড় সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ২০২০-২০২১ ও ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিটের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এই দুই অর্থ বছরে এক জন কর্মকর্তা গড়ে মাত্র ৭৮টি প্রতিষ্ঠান অডিট করেছেন। 

ডিআইএ’র সাবেক একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সংখ্যা কমায় স্বাভাবিকভাবেই অনিয়ম, দুর্নীতি, অবৈধ নিয়োগ ও জালসনদধারী শিক্ষক শনাক্ত করার সংখ্যা কমবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে সরকার ডিআইএ- কে যে দায়িত্ব দিয়েছে তা যথাযথভাবে পালন না করা চাকিরবিধি লঙ্ঘন। তিনি আরো বলেন, প্রতি অর্থ বছরে ডিআইএ কি কাজ করবে তা শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) করে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না করতে পারলে শিক্ষামন্ত্রণালয় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পিছিয়ে যাবে। সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে এপিএ চুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। 

ডিআইএর তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০১৮-১৯ পর্যন্ত তিন অর্থ বছেরে নয় হাজার ২৯৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ৪৩৩ জন শিক্ষককের জাল সনদ চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে জাল সনদে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকের বেতন ভাতা হিসেবে নেওয়া ৫৮ কোটি ৮৯ লাখ ৮৯ হাজার ১০৭ টাকা আদায় করার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। করোনার পরে ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ এই দুই অর্থবছরের চার হাজার ৩৮০টি শিক্ষপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ২৬৮ জন শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত করে তাদের চাকরিচ্যুত করার সুপারিশ করেছে। এই সময়ে ১৩৭ কোটি ৯২ লাখ ৫৫ হাজার ৭৪৭ টাকা আদায় করার সুপারিশ করেছে। 

ডিআইএ’তে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ১১ জন শিক্ষা পরিদর্শক, ১০ জন সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক ও চার জন অডিট অফিসার কর্মরত ছিলেন। পরের অর্থ বছরে শিক্ষা পরিদর্শক ও অডিট অফিসারের সংখ্যা ঠিক থাকলেও সাত জন সহকারী পরিদর্শক কর্মরত ছিলেন। ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ১০ জন শিক্ষা পরিদর্শক, পাঁচ জন সহকারী পরিদর্শক ও চার জন অডিট অফিসার কর্মরত ছিলেন। গত দুই অর্থ বছরে কর্মকর্তার সংখ্যা বেড়েছে। এ সময়ে ১২ জন শিক্ষা পরিদর্শক, ১২ জন সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক ও চার জন অডিট অফিসার প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত ছিলেন। অথচ আগের তিন অর্থ বছরের চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অর্ধেকে নেমেছে। একই সঙ্গে আদায়কৃত অর্থ ও জাল সনদ চিহ্নিত করার শিক্ষকের সংখ্যাও কমেছে।

ডিআইএ’র দেওয়া তথ্যানুযায়ী বছর ভিত্তিক পরিদর্শনের তুলনা করলে দেখা যায়, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে ১০ জন শিক্ষা পরিদর্শন কর্মকর্তা, পাঁচ জন সহকারী অডিট কর্মকর্তা ও চার জন অডিট কর্মকর্তা নিয়ে তিন হাজার ১৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিট করা হয়েছে। আর গত অর্থ বছরে ১২ জন শিক্ষা পরিদর্শন কর্মকর্তা, ১২ জন সহকারী অডিট কর্মকর্তা ও চার জন অডিট কর্মকর্তা দুই হাজার ২০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিট করেছেন।  

ডিআইএ’র জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিত একজন পরিচালক, একজন যুগ্ম পরিচালক, চারজন উপ-পরিচালক এবং ১২ জন শিক্ষা পরিদর্শক, ১২ জন সহকারী শিক্ষা পরিদর্শন ও চার জন অডিট অফিসার কর্মরত আছেন। ডিআইএ’র পরিদর্শন নির্দেশিকা অনুযায়ী উপ-পরিচালক, পরিদর্শক ও সহকারী পরিদর্শককে বছরে গড়ে ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করার কথা। কিন্তু দুই জন উপ-পরিচালক রেহেনা খাতুন ও রেজিনা আখতার গত পাঁচ বছরে একটি প্রতিষ্ঠানও পরিদর্শন করেননি। উপ-পরিচালক টুটুল কুমার নাথ ও আবুল কালাম আজাদ গত অর্থ বছরে মাত্র ২০টি করে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন। 

উপ-পরিচালক রেহেনা খাতুন ১৬তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, অফিসে বসে সারাক্ষণ সংগঠনের কাজ করেন। ব্যাচমেটদের পদোন্নতি, পছন্দের প্রতিষ্ঠানে পদায়নের তদবিরে ব্যস্ত থাকেন। অফিসে বসে সহকর্মীদের সঙ্গে আড্ডা ও খোশগল্প করে সময় পার করেন।

অভিযোগের বিষয়ে রেহেনা খাতুন বলেন, আমি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করিনা এ তথ্য সঠিক নয়। যখন যে প্রতিষ্ঠান বা বিশেষ তদন্তের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে করেছি। প্রতিদিন অফিসের কাজ সঠিকভাবে পালন করি। সংগঠনের কোনো কাজ অফিসে বসে করি না। পদোন্নতির জন্য অফিস ছুটির পর উর্ধ্বতনদের কাছে গিয়েছি। তিনি আরো বলেন, গত অর্থ বছরে ২৩০০ প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করার এপিএ চুক্তি ছিল। চুক্তি অনুযায়ী পরিদর্শন করা হয়েছে। আমার অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন প্রতিবেদন অনেক যাচাই-বাছাই করতে হয়। আমি নিজে পরিদর্শনে গেলে এসব কাজ আটকে থাকবে। আরেক উপ-পরিচালক রেজিনা আখতার অসুস্থ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।  

ডিআইএ কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, চারজন উপ-পরিচালককে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শক ও সহকারী পরিদর্শকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করার কথা। আর নিজের পরিদর্শন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন নিজে তৈরি করে উর্ধ্বতনের কাছে জমা দেওয়া কথা। কিন্তু তারা এসব দায়িত্ব পালন না করে নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তুলছেন।

ডিআইএ’র পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মো. আজমতগীর দাবি করেন, সাত হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করার জন্য ডিআইএ’র অরগানোগ্রাম তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে ৩৬ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠান একই জনবল দিয়ে পরিদর্শন করা সম্ভব না। প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর সঙ্কটের কারণে কর্মকর্তাদের বসার রুম নেই। কাগজপত্র রাখার জায়গা নেই। নানা সঙ্কট নিয়ে ডিআইএ কাজ করছে। আগের চেয়ে ডিআইএ’র কাজে অনেক গতি। শিগগিরই ডিজিটাল পদ্দতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শুরু হবে বলে তিনি জানান।        
   
প্রসঙ্গত, ডিআইএ’র কাজ হল-সরকার প্রদত্ত বেতন ভাতা ও মঞ্জুরিসহ প্রতিষ্ঠানের তহবিল নির্দিষ্ট খাতে যথাযথভাবে ব্যয় করা হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা। কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সরকার বা বোর্ড বা অধিদপ্তরের নিকট দাখিলকৃত তথ্য উপাত্ত সঠিক কিনা তা যাচাই করা। সরকার হতে বেতন ভাতা ও মঞ্জুরি প্রাপ্তির শর্তাদি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা। সরকারি বেতন ভাতা ও মঞ্জুরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার যথার্থতা যাচাই করা। অনুমতি ও স্বীকৃতির শর্তাদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পালিত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের জারিকৃত প্রশাসনিক আদেশ ও নির্দেশসমূহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে পালন করছে কিনা তা যাচাই করা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা মাফিক পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় উপদেশ প্রদান করা। সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের একাডেমিক কার্যকলাপ তত্ত্ববধান করা। কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দ্দিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অধীনস্থ দপ্তর, সংস্থা ও শিক্ষা বোর্ডসহ যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (সরকারি/বেসরকারি) অভিযোগ/অনিয়ম, দুর্নীতি তদন্ত করা। তবে ডিআইএ এসব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে ব্যর্থ। 

আজকালের খবর/ওআর








সর্বশেষ সংবাদ
মার্কিন শ্রমনীতি পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি করতে পারে: পররাষ্ট্র সচিব
স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা-হয়রানি
একদিনে দশটি পথসভা, উঠান বৈঠক ও একটি জনসভা করেন সাজ্জাদুল হাসান এমপি
নতুন বছরে সুদহার বাড়ছে
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
রাজপথের আন্দোলনে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে: মুরাদ
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকায় ইসলামী ব্যাংক
ইতিহাসের মহানায়ক: একটি অনন্য প্রকাশনা
নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
এক দিনে সারাদেশে ২১ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft