ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  শনিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২২ ● ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯
ই-পেপার  শনিবার ● ১৩ আগস্ট ২০২২
শিরোনাম: করোনার ভ্যাকসিন কার্যক্রমে সরকারের ব্যয় ৪০ হাজার কোটি টাকা       সালমান রুশদির ওপর হামলা       ইউক্রেনে পৌঁছেছে যুক্তরাজ্যের সেই অস্ত্রের নতুন চালান       এবার চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব        তথ্যগত গরমিলে ডিএনসিসির ১০ গাড়িচালকের নিয়োগ বাতিল       ডিমের দামে রেকর্ড, ব্রয়লার মুরগির ডাবল সেঞ্চুরি        সিরিজ হারের লজ্জা নিয়ে দেশে ফিরলো তামিম বাহিনী      
অংশ নিচ্ছেন তিন হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি
আজ উদ্বোধন: পদ্মাপাড়ে সাজ সাজ রব
জাকির হুসাইন
Published : Saturday, 25 June, 2022 at 12:00 AM

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতার পর শ্রেষ্ঠ অর্জন পদ্মাসেতু। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহস ও বাঙালির আত্মমর্যাদা এবং সক্ষমতার প্রতীক সেই পদ্মাসেতুর উদ্বোধন আজ শনিবার (২৫ জুন)। সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী এই অসম্ভব স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এর দ্বার উন্মোচন করবেন। শেখ হাসিনার মতো একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের সততা, দেশপ্রেম, দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার সাক্ষী হয়ে প্রমত্তা পদ্মার বুকে যুগ থেকে যুগান্তরে দাঁড়িয়ে থাকবে স্বপ্নের পদ্মাসেতু। 

পদ্মাসেতু নিতান্তই একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু নয়। বিশ্বের সেরা প্রকৌশলবিদ্যা আর প্রযুক্তিতে নির্মিত দ্বিস্তরের এ দৃষ্টিনন্দন সেতুটি বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়মথিত আবেগের নাম। স্বপ্নপূরণে একটি বিশ্বাস ও আস্থার সার্থক রূপায়ণের নাম। এ সেতুর মাধ্যমে সর্বনাশা পদ্মার বুকে স্বপ্ন জেগে উঠেছে বলে মনে করেন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, অর্থনীতিবিদ, সেনাবাহিনীসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণ। এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পদ্মা ছিল কীর্তিনাশা পদ্মা, এখন হয়ে যাবে কীর্তিমান পদ্মা। এর ওপর দিয়ে আমাদের নতুন সফলতা গাথা হবে। তৈরি হবে নতুন ইতিহাস। শনিবারই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। 

পদ্মাসেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ। গতকাল শুক্রবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বার্তায় অভিনন্দন জানান যুক্তরাষ্ট্র। বার্তায় উল্লেখ করা হয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জনগণ এবং পণ্যকে দক্ষতার সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য টেকসই পরিবহন কাঠামো তৈরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পদ্মাসেতু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করবে। পদ্মাসেতুর কারণে বাণিজ্য বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের আরেকটি উদাহরণ হবে। 

পদ্মাসেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে ইসলামাবাদ বলছে, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় এই সেতুটির উদ্বোধন একটি দৃষ্টান্ত। গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদ্মাসেতুর উদ্বোধন নিয়ে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের কাজ সমাপ্তিতে আমি বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এবং দেশটির জনগণকে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। 

বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম বাশার বলেছেন, পদ্মাসেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সাহসিকতা, সততা ও সক্ষমতার উজ্জ্বলতম উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতির অভিপ্রায়ের অভিযোগের ব্যাপারে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে পদ্মাসেতু নির্মাণ করেছেন। তার সাহসিকতা, সততা ও দূরদর্শিতার কাছে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়ে যায়। 
সেতু নির্মাণের সমানে ছিল বহু বাধা, নানামুখী চ্যালেঞ্জ আর জল্পনা-কল্পনা। তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন থেকে দৃশ্যমান, যান চলাচলের উপযোগী স্বপ্নের পদ্মাসেতু রাতের অন্ধকার ভেদ করে এখন আলোকিত। রাত পোহালেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। ঘটবে পদ্মা পাড়ি দিতে যুগ-যুগান্তের ভোগান্তির অবসান। পদ্মাসেতু নির্মাণে অন্যতম সাক্ষী মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পদ্মাপাড়। তাই সেতুর উদ্বোধনের আগ মুহূর্তে মাওয়া এলাকায় আনন্দে উদ্ভাসিত পদ্মাপাড়ের মানুষ। সর্বত্র সাজ সাজ রব। সেতুর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশ হবে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পদ্মাপাড়ে। প্রস্তুত ফলক মঞ্চ। সমাবেশে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন তিন হাজার সুধীজন। এ তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিক, নির্মাণ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকরা।

সরজমিনে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থল, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সাজসজ্জায় ভরে উঠেছে। এক্সপ্রেসওয়ে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুনে। পদ্মাসেতু নির্মাণ করায় স্থানীয় নেতাকর্মীরাও টানিয়েছেন ফেস্টুন। সমাবেশস্থলের দৃষ্টিনন্দন মঞ্চ তৈরিসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজ শেষ। এরই মধ্যে পুরো মাওয়া এলাকায় জোরদার করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়। পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হাইওয়ে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, জেলা পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, নৌ-পুলিশ সবাই একযোগে মোতায়েন রয়েছে। বিভিন্ন পেট্রোলিং ছাড়াও আকাশপথে থাকবে র্যাবের হেলিকপ্টারের নজরদারি।

মুন্সীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি রাসেল মাহমুদ জানান, বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে। চারদিকে উৎসবের আমেজ। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, কখনো ভাবেননি এ নদীতে সেতু হবে। কত কষ্ট করে পার হতো মানুষ। আজকের পর আর থাকবে না কোনো কষ্ট। খুব ভালো লাগছে।

জানা গেছে, সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মাসেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একইসঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে। চার লেনবিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেললাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মাসেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন। এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে ৪২টি পিলারের ওপর দৃশ্যমান হয়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি এক দশমিক দুই থেকে এক দশমিক পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মাসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ মিটার। পদ্মাসেতু নির্মাণে মোট খরচ হয় ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদীশাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি। 

বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। এক শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড। মহাসড়কটি ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ, যার আওতায় রয়েছে পাঁচটি ফ্লাইওভার, দুটি ইন্টারচেঞ্জ, চারটি ওভারপাস, ২৯টি সেতু, ৫৪টি কালভার্ট এবং ১৯টি আন্ডারপাস। পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর এন-৮ সড়ক ব্যবহার করে অতি স্বল্প সময়ে মানুষ ও মালামাল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলা থেকে রাজধানী ঢাকায় পৌঁছাতে পারবে, যা ওই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে করবে ত্বরান্বিত। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নির্মাণ, নিরাপত্তা ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণের সুবর্ণ সুযোগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে করেছে আত্মবিশ্বাসী এবং বাড়িয়েছে তার কর্মদক্ষতা। মহতি এ কাজে সম্পৃক্ত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজের অবস্থানকে করেছে সুদৃঢ়।  

এ দিকে আজ ২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মাসেতু চালু হওয়ার ঠিক এক বছর পর ২০২৩ সালের জুন মাসে উদ্বোধন হবে ‘পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্প’। ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে রেলপথ যাবে যশোরে। এই রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য ১৭২ কিলোমিটার। এর মধ্যে ২৩ কিলোমিটার হবে পুরোপুরি এলিভেটেড (উড়াল)। যশোর পর্যন্ত রেলপথের কোথাও থাকবে না কোনো লেভেল ক্রসিং। এতে সময় বাঁচবে, ঘটবে না দুর্ঘটনা। দেশে উড়াল ও লেভেল ক্রসিংবিহীন প্রথম রেলপথ হতে চলেছে এটি। সেতুর পাশাপাশি পুরোদমে এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজও। এজন্য ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার রেলপথ ২০২৩ সালের জুন মাসে খুলে দিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশ রেলওয়ে জানায়, প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে চায়নার ঋণ ২১ হাজার ৩৬ কোটি ৬৯ লাখ এবং সরকারি অর্থায়ন ১৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৯ সালের ১৯ জানুয়ারি নকশা ও পুনর্বাসনের কাজ শুরুর সময়ই ৫০০ কর্মী ছিলেন। এরপর কাজের সঙ্গে বাড়তে থাকে কর্মী। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের সময় ১২০০ থেকে ২০০০ কর্মী ছিলেন। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতি মাসে ২০ হাজার কর্মী কাজ করেছেন। এরপর কাজের চাপ কমে যাওয়ায় কর্মীর সংখ্যাও কমতে থাকে। ২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাসে সাড়ে চার হাজার কর্মী কাজ করছেন। তাদের মধ্যে চার হাজার জনই বাংলাদেশি। বাকি ৫০০ কর্মী ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ বিশ্বের ২২টি দেশের নাগরিক। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, কলম্বিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, নেপাল এবং আফ্রিকার দেশ তানজানিয়া। বিদেশি কর্মী-কর্মকর্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে চীনের। পদ্মাসেতুর পিলার ও স্ল্যাব তৈরির জন্য স্টোন চিপ আনা হয়েছে দুবাই ও ভারত থেকে। যে রড, সিমেন্ট, বালু লেগেছে তার সবই দেশি। 

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, সেতু তৈরির প্রধান প্রধান উপকরণের মধ্যে বাংলাদেশের এমএস রড, বালু ও সিমেন্টই ব্যবহার হয়েছে। অন্যান্য প্রধান সব উপকরণই বিদেশ থেকে আনা হয়। ২০০৭ সালের আগস্টে প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকা। সর্বশেষ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

আজকালের খবর/বিএস 


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com