ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ  রোববার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২২ ● ১০ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার  রোববার ● ২৩ জানুয়ারি ২০২২
শিরোনাম: ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনায় দুজনের মৃত্যু       শিক্ষার্থীদের আবারও অনশন ভাঙার অনুরোধ শিক্ষামন্ত্রীর       বিয়ে বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা       জাপান থেকে আসা শিশুরা ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মায়ের কাছে থাকবে       বরগুনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১২       পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী       দেড় মাস পর দেখা মিলল ডা. মুরাদ হাসানের      
সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার
জিল্লুর রহমান
Published : Thursday, 13 January, 2022 at 7:15 PM

ইদানিং আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর অতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। অতি আপনজনকে মুহূর্তের মধ্যে তুচ্ছ ও শত্রুতে পরিণত করছি। আবেগতাড়িত হয়ে যাচ্ছি। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে আমরা বর্তমান সময়ে একটি ভাল বন্ধু বলে বিবেচনা করি। কারণ এখানে তাৎক্ষণিকভাবে সকলের ভালোমন্দ মতামত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি দেখতে পারি এবং সাথেসাথে প্রতিক্রিয়া, পছন্দ, অপছন্দ ও অনুভূতিও ব্যক্ত করতে পারি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কারণে ইদানিং পরিবার ও সমাজে নানা অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। সামান্য একটি অসতর্কতামূলক মন্তব্যের কারণে মামলা-মোকদ্দমা, জেল-জরিমানা পর্যন্ত হচ্ছে। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সতর্কতার সাথে ভেবে-চিন্তে ব্যবহারের সময় এসেছে। 

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক। এ ছাড়া, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম। বিশ্বজুড়ে ফেসবুকের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। কারো কারো কাছে ফেসবুক এতোটাই আর্কষণীয় যে, ফেসবুকে লগইন করে দিন শুরু করেন আবার ফেসবুকে লগআউটের মাধ্যমে ঘুমাতে যান। বর্তমানে ফেসবুক হল মেটা প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির নানা দিক রয়েছে, সাধারণ ব্যবহারকারীরা তা হয়তো একদমই জানেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আধুনিক জীবনে এক নতুন বাস্তবতা। গ্রামের চায়ের দোকানে মানুষ তথ্যের জন্য এখন আর পত্রিকার পাতা ঘাঁটাঘাঁটি করেন না। তার বদলে এসেছে স্মার্টফোন ও আইফোন নির্ভরতা।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন ও আইফোন। এ সব প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তি তথ্য, মতামত, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি আদান-প্রদান করতে পারেন। এগুলো হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রাণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের থাকে অনেক উৎস ও অনেক প্রাপক। প্রথাগত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমের থাকে একটি উৎস ও অনেক প্রাপক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া থেকে আলাদা। 

আমাদের টাইমলাইন, নিউজফিড ভরে যায় প্রয়োজনীয়, অপ্রয়োজনীয় সংবাদ, ছবি ও ঘটনায়। এ সুযোগটি করে দিচ্ছে ইন্টারনেট। সারা বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭০ শতাংশ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত রয়েছে। তরুণদের মধ্যে এ হার আরো বেশি, প্রায় ৯০ শতাংশ। বাংলাদেশে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষের রয়েছে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট।

বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা মে ২০২১ পর্যন্ত ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার, মেসেঞ্জার ব্যবহারকারী ৪ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪০ লাখ ৭১ হাজার। 

বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বছরে আয় প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। সারা বিশ্ব থেকে ফেসবুকের মোট রাজস্ব আয় বাংলাদেশি টাকায় দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি। আন্তর্জাতিক আয়ের ওপর নির্দিষ্ট হারে কর ও অন্যান্য ব্যয় বাদে এ প্রান্তিকে ফেসবুকের নিট মুনাফার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫১ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে আয়ের পরিমাণ ফেসবুকের মোট আয়ের পরিমাণ শূন্য দশমিক দুই শতাংশ। ২০১৯ সালে মাত্র তিন মাসেই ফেসবুক আয় করেছে তিন হাজার ৬০ কোটি টাকা। অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্দেহ ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, অনেকে বলে এগুলো বাতাসের আগে ধাবিত হয়। তা ছাড়া, গুজব সন্দেহ ও মিথ্যা কল্পকাহিনী ছড়াতে প্রবল সহযোগিতা করে এবং গুজব কোনো কোনো সময় সমাজে বড় ধরনের ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে। হিংসা ও বিদ্বেষ ছড়াতে ফেসবুক খুবই সিদ্ধহস্ত। শিক্ষিত- অশিক্ষিত অধিকাংশ লোকজন এসময় সত্য মিথ্যা যাচাই করে না। সন্দেহ ও গুজবকে কেন্দ্র করে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ডালপালার আকারে বিস্তৃতি ঘটায়। আবার অনেক সময় গুজবে কান দিয়ে সিংহভাগ মানুষ বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনে। ফলে এসব গুজব যানমালের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মানুষ আইন হাতে তুলে নেয় এবং আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটায়। হিংসা, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা, উষ্কানি বিষবাষ্পের মতো চরম আকার ধারণ করে। 

আবার ফেসবুকের মাধ্যমে অনেকে নিজেদের বয়স লুকিয়ে কম বয়সীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করে, এমনকি কেউ কেউ নির্মাতা বা পরিচালক পরিচয় দিয়ে অভিনয় বা মডেলিংয়ের লোভ দেখিয়ে অশ্লীল ছবি ও বার্তা আদান-প্রদান করে থাকে। এই অন্যায় কর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছে ১৮ বছরের কমবয়সী প্রায় দুই কোটি প্রাণ। অথচ ১৮ বছরের নিচে কেউ অ্যাকাউন্ট খোলা নিষেধ। ফেসবুক আমাদের দৈনন্দিন সামাজিক জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এমনকি শিশুদের মনে ফেসবুক প্রায় নেশার মতো কাজ করছে। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সামাজিক সম্পর্কটাই। ফেসবুকের মাধ্যমে বর্তমানে মেয়েরা ডিজিটাল ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে। ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষ এখন সমাজের আসল বন্ধুদের চেয়ে সাইবার দুনিয়ার বন্ধুদের পেছনে বেশি সময় ব্যয় করছে। এতে তারা সমাজ থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে। ফলে পারিবারিক সম্পর্কেও ফাঁটল ধরছে। ফেসবুকে অনেকের বেনামি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বিশেষ করে অনেক নারীর নামে অ্যাকাউন্ট করা হয়েছে অথচ যার নাম তিনি হয়তো জানেনই না। এসব পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে ভয়ানক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। ফেসবুকের ম্যধমে বর্তমানে অনেক দেশে ভুয়া ইনফরমেশন দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উস্কে দিচ্ছে। 

দুই তিন বছর আগে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ফেসবুকে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট হ্যাকিংকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকজন নিহত ও শতাধিক লোক আহত হয়েছিল। একই ধরনের ঘটনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কক্সবাজারের রামুতেও ঘটেছিল। একইভাবে, ছেলে ধরা সন্দেহ, পদ্মা সেতুতে মাথার খুলির প্রয়োজন, মানুষকে সন্দেহবশত পিটিয়ে হত্যার মতো জঘন্য ও অবিশ্বাস্য অপরাধ এ কারণে ঘটে। তা ছাড়া, মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ যেমন হত্যা, ধর্ষণ, লুট, বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে পুরিয়ে দেওয়া, শিশু ও নারীদের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা, গবাদি পশু ও খাদ্যশস্য লুট ইত্যাদি লোমহর্ষক ঘটনা রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী ও তাদের ইন্ধনে সংগঠিত হয়েছে, তার পিছনে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের বিষবাষ্প ছড়িয়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। বিদ্বেষ ও উষ্কানি দেওয়ার অভিযোগে মিয়ানমারের উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন জেনারেল ও ধর্মীয় নেতার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ব্লক করে দিতে বাধ্য হয় এবং ফেসবুক এজন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিল, এ বিষয়ে তাদের আরো সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন ছিল। এসমস্ত হিংসা, বিদ্বেষ ও উস্কানিমূলক পোস্টের কারণে ইদানিং বহু মানুষের ফেসবুক, টুইটার, ইনস্ট্রাগ্রাম ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্লক করার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। 

ব্রিটেনের আইনজীবীরা বলছেন, ইদানিং ফেসবুকের কারণেই সে দেশে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা বেড়ে চলছে। বিবাহিতরা অনলাইনে নতুন কারো সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছেন কিংবা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এ ছাড়া সন্দেহপ্রবণ দম্পতিরা তাদের সঙ্গীকে পরীক্ষা করার জন্যও ফেসবুক ব্যবহার করছেন। ব্রিটেনের একজন আইনজীবী বলেছেন, নয় মাসে তিনি যতগুলো বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটিয়েছেন, তার সবগুলোই ফেসবুকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ কারণে দেশটির অনেকে বিবাহিত দম্পতিদের ফেসবুক ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করছেন।

উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশেও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়ে চলেছে সাইবার ক্রাইম বা প্রযুক্তিগত অপরাধ। পুলিশের ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) তথ্যানুযায়ী, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সাইবার অপরাধের ঘটনায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় তিন হাজার ৬৫৯টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৫৭৫টি মামলা সাইবার ট্রাইব্যুনালে গেছে। নিষ্পত্তি হয়েছে ৫২২টির। ২৫ মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে। তবে সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দিন দিন মামলার সংখ্যা বাড়লেও নিষ্পত্তির সংখ্যা সেই অনুপাতে খুব একটা বাড়ছে না। গত প্রায় আট বছরে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ১২৪টি মামলার রায় হয়েছে। এর মধ্যে সাজা হয়েছে মাত্র ২৯টি মামলায়। এই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে এক হাজার ১০০টি মামলা এবং বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। প্রতিটি ব্যবহারকারীকে নৈতিকতা এবং নিয়ম-নীতি মেনে ফেসবুক ব্যবহার করতে হবে। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হল, অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অবশ্যই তার আসল পরিচয় নিশ্চিত হয়ে অ্যাকাউন্ট অনুমোদন দেওয়া। এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর সরকারী কোনো পরিচয়পত্রের সাথে আইপি অ্যাড্রেস বা অন্য কোনো উপায়ে নিশ্চিত হয়ে অ্যাকাউন্ট অনুমোদন দেওয়া।

মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মিথ্যা তথ্যের মাঝে সত্য বিষয় বুঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যেকোনো ঘটনা যাচাই-বাছাই করা প্রত্যেকটি সচেতন মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। সন্দেহ ও গুজবের বিষবাষ্প ছড়ানো চরম বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। এ ধরনের সঙ্কটময় সময় গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধানরা যদি কার্যকর ও উদ্যোমী ভূমিকা পালন করে, তবে অনেকাংশে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব।  

লেখক : ব্যাংকার ও কলাম লেখক। 
আজকালের খবর/আরইউ


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : হাউস নং ৩৯ (৫ম তলা), রোড নং ১৭/এ, ব্লক: ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন: +৮৮-০২-৪৮৮১১৮৩১-৪, বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮
ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- [email protected] বিজ্ঞাপন- [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক আজকালের খবর
Web : www.ajkalerkhobor.net, www.ajkalerkhobor.com