শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বাজেট ঘাটতির অর্থ সংস্থান নিয়ে প্রশ্ন সিপিডি’র
প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ জুন, ২০২১, ১:৪১ পিএম   (ভিজিট : ৮১৯)
২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান বাদ দিলে ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ। বিশাল এ ঘাটতির অর্থ সংস্থান কিভাবে হবে তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। আজ শুক্রবার (৪ জুন) প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সিপিডির পর্যালোচনায় এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।  এ সময় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেট ঘাটতির অর্থ কোথা থেকে আসবে সেটা বড় প্রশ্ন। বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৬.২ শতাংশ ধরা হয়েছে। বৈদেশিক উৎস থেকে বাজেট ঘাটতি পূরণের বিষয়টি ইতিবাচক দিক। তবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের ১০ মাসের গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করে পুরো অর্থবছর কেমন হতে যাচ্ছে, সে বিষয়টি মাথায় রেখে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতির ক্ষেত্রে গতিপ্রকৃতি ঠিক করা হয়নি। আমরা এখানে দুর্বল অবস্থায় রয়েছি। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণের বিষয়ে বাজেটে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবছরে চলতি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় রাজস্ব আহরণ ১০.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। ঘাটতি বাজেটের অর্থায়ন রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে কতটুকু সম্ভব হবে, সে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে সিপিডি পর্যালোচনায় দেখতে পায় রাজস্ব আহরণ ৩০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা সম্ভব। ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৯.৬ শতাংশ। বলা হচ্ছে, রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণ করা হবে। ব্যয় ঠিক করে আয়ের চিন্তাধারা থেকে এনবিআরের ওপর রাজস্ব আদায়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়। যা আসলে অর্জন করা সম্ভব হয় না। এর আগে গতকাল ২০২১-২০২২ অর্থবছরের ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল সিপিডি। এতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজস্ব আয়ে ঘাটতি ছিল অনেক বড়। এটা গত কয়েক বছর ধরেই ছিল। করোনার সময় সেটি আরও বেড়েছে। সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে দুর্বলতা, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হয়েছে। বাস্তবায়নের হার অত্যন্ত নিম্ন। ব্যয় কম হওয়ার কারণে সরকারি ঘাটতি সীমারেখার নিচেই রয়েছে। ক্ষুদ্রশিল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিম্নমুখী প্রবণতা, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।
পাশাপাশি কিছু ইতিবাচক দিকও আছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি রপ্তানির ধারাটা বজায় ছিল। রেমিট্যান্সের প্রবাহ ঊর্ধ্বমূখী ছিল। তাছাড়া ব্যালেন্স অব পেমেন্টের অবস্থা স্বস্তিদায়ক, মুদ্রার বিনিময় স্থীতিশীল, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।
আজকালের খবর/টিআর









সর্বশেষ সংবাদ
নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞানী ও কৃষি শ্রমিকদের অবদান রয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
ভোটের প্রচারণায় এগিয়ে মনোজ বৈদ্য
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগে সমতা চায় টিআইবি
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সুবাহর শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন
তাদের মাখো মাখো ‘প্রেমের প্রাসাদ’!
‘আমাকে জায়গা দিন, এটা আমার প্রাপ্য’ : লালকেল্লার দাবিদার মোগল সম্রাজ্ঞী
Follow Us
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি : গোলাম মোস্তফা || সম্পাদক : ফারুক আহমেদ তালুকদার
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রাপা প্লাজা( ৭ম তলা), রোড-২৭ (পুরাতন) ১৬ (নতুন), ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৯।
ফোন: বিজ্ঞাপন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৯, সার্কুলেশন : ০১৭০৯৯৯৭৪৯৮, ই-মেইল : বার্তা বিভাগ- newsajkalerkhobor@gmail.com বিজ্ঞাপন- addajkalerkhobor@gmail.com
কপিরাইট © আজকালের খবর সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft